নয় মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দেড় হাজার কোটি ডলার | বিজনেস | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বৃহঃস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮
বিজনেস

নয় মাসে বাণিজ্য ঘাটতি দেড় হাজার কোটি ডলার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২০ মে ২০২১ ২৩:৩৪ আপডেট: ২১ মে ২০২১ ০০:১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২০ মে ২০২১ ২৩:৩৪


ফাইল ফটো

২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে দেশ বাণিজ্য ঘাটতিতে পড়েছে ১ হাজার ৪৪৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই পরিমাণ প্রায় ১ লাখ ২৩ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জুলাই-মার্চ বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে ভারসাম্যের (ব্যালেন্স অব পেমেন্ট) ওপর করা হালনাগাদ প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম ৯ মাসে ইপিজেডসহ রপ্তনি খাতে বাংলাদেশ ২ হাজার ৮৭২ কোটি ডলার আয় করেছে। এর বিপরীতে ৪ হাজার ২৭৬ কোটি ডলার আমদানি বাবদ ব্যয় করেছে। এ হিসাবে ৯ মাসে ১ হাজার ৪৪৯ কোটি ৭০ লাখ ডলার বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে। দেশীয় মুদ্রায় ঘাটতির এ পরিমাণ এক লাখ ২৩ হাজার ৯৩৫ কোটি টাকা।

এ সময়ের মধ্যে পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশ আগের বছরের তুলনায় দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ বেশি আয় করেছে, বিপরীতে পণ্য আমদানি ব্যয় আগের বছরের চেয়ে ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ বেড়েছে। দেশের অভ্যন্তরে বিনিয়োগের চাহিদা কিছুটা বেড়ে যাওয়ায় আমদানি চাহিদাও বেড়েছে। আমদানি ব্যয়ও বেড়েছে স্বল্প পরিসরে। তবে দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সপ্রবাহ চাঙ্গা থাকায় বাণিজ্য ঘাটতি কম হয়েছে। প্রথম ৯ মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছে প্রায় ৩৫ শতাংশ।

বীমা ও ভ্রমণ খাতের আয়-ব্যয় হিসাব করে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতি পরিমাপ করা হয়। করোনাকালীন মানুষ ভ্রমণ কম করেছে। অন্যদিকে আমদানি-রফতানি কম হওয়ায় বীমার খরচও কমে গেছে। ফলে সেবা খাতের বাণিজ্য ঘাটতি কিছুটা কম হয়েছে। চলতি অর্থবছরের ৯ মাসে এ খাতের ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৯১ কোটি ডলার। গত অর্থবছর একই সময়ে তা ছিল ২৩৬ কোটি ডলার।

মহামারিতে বিশ্ব অর্থনীতির মন্দার প্রভাব সরাসরি পড়েছে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ওপরও। গত অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে ২৪৯ কোটি ১০ লাখ ডলারের এফডিআই পেয়েছিল বাংলাদেশ। একই সময়ে চলতি অর্থবছর তা সামান্য বেড়ে ২৫৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারে পৌঁছেছে।

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সরাসরি মোট যে বিদেশি বিনিয়োগ আসে তা থেকে বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মুনাফার অর্থ নিয়ে যাওয়ার পর যা অবশিষ্ট থাকে তাকে নিট এফডিআই বলা হয়। আলোচিত সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগও আগের বছরের চেয়ে প্রায় ৭ দশমিক ৯৬ শতাংশ কমে ৯৪ কোটি ডলারে নেমেছে। গত বছর একই সময়ে নিট বিদেশি বিনিয়োগ ছিল ১০৩ কোটি ডলার।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top