করোনায় মৃত্যু ১৩৩ ব্যাংকার, সর্বোচ্চ সোনালী ব্যাংকে | বিজনেস | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বৃহঃস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮
বিজনেস

করোনায় মৃত্যু ১৩৩ ব্যাংকার, সর্বোচ্চ সোনালী ব্যাংকে

অপরূপবাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২১ ১২:১৫ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২০:৩৮

অপরূপবাংলা ডেস্ক | প্রকাশিত: ২৯ জুন ২০২১ ১২:১৫


ফাইল ফটো

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত মে পর্যন্ত ব্যাংকের ১৩৩ কর্মকর্তা ও কর্মচারী মারা গেছেন। ২৫ হাজার ৩৯৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ সংখ্যা চলতি জুনে বেড়েছে।

কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলে ব্যাংকারদের পরিবার সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে ব্যাংকগুলো থেকে। ২৫ লাখ টাকা দেওয়া হচ্ছে কর্মচারী মারা গেলে। ৩৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাচ্ছে ট্রেইনি অ্যাসিস্ট্যান্ট অফিসার থেকে অফিসারের নিচের পদমর্যাদার কর্মকর্তার পরিবার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারী ছিলেন ১ লাখ ৮৩ হাজার ২০৬ জন। আর গত মে পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২৫ হাজার ৩৯৯ জন। ব্যাংকের জনবলের প্রায় ১৪ শতাংশই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

জানা গেছে, গত মে মাসে করোনায় ৫৭৬ জন ব্যাংকার আক্রান্ত হয়েছেন। ২ জন মারা গেছেন। করোনায় মারা যাওয়া ১৩৩ কর্মকর্তার মধ্যে সরকারি ব্যাংকগুলোরই ৭৩ জন। করোনায় সবচেয়ে বেশি মারা গেছেন রাষ্ট্রমালিকানাধীন সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা। ব্যাংকটি করোনায় ২৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে হারিয়েছে। আর আক্রান্তও বেশি হয়েছেন ব্যাংকটির কর্মকর্তারা। গত মে পর্যন্ত ব্যাংকটির ২ হাজার ৭৯৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন। জনতা ব্যাংকের ১৫ কর্মকর্তা, অগ্রণী ও কৃষি ব্যাংকের ১০ জন করে কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

জনতা ব্যাংকের এমডি আবদুছ ছালাম আজাদ বলেন, করোনায় আক্রান্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীর খরচ বহন করছি। মারা গেলে অনুদান দেওয়া হবে। তবে এখন পর্যন্ত কারও পরিবার অনুদান পায়নি। কারণ, নথিপত্র জমা হয়নি। ইতিমধ্যে ১৬ জন কর্মকর্তা মারা গেছেন, আরও একজনের অবস্থা খারাপ। আমরা চেষ্টা করছি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সেবা অব্যাহত রাখার।

এরপরই আক্রান্তের শীর্ষে রয়েছেন ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারা। ব্যাংকটির ২ হাজার ৪০৭ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী আক্রান্ত হয়েছেন ও মারা গেছেন ৬ জন। এ ছাড়া ন্যাশনাল ব্যাংকের ৬ জন ও ইউসিবিএলের ৫ কর্মকর্তা করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন। ন্যাশনাল ব্যাংকের ৭৮৫ ও ইউসিবিএলের ৬৮৪ কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন।

বিদেশি ব্যাংকগুলোর মধ্যে শুধু এইচএসবিসি ব্যাংকের দুই কর্মকর্তা করোনায় মারা গেছেন। আক্রান্তের দিক দিয়ে শীর্ষে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ৪৯৯ কর্মকর্তা।

ব্যাংককর্মীদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম মারা যান সিটি ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মুজতবা শাহরিয়ার (৪০)। গত বছরের ২৬ এপ্রিল মুগদা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, গ্রাহক ও ব্যাংকারদের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন নির্দেশনা পরিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি মানলে করোনা রোধ করা সম্ভব। যারা করোনায় মারা গেছেন, ব্যাংকগুলো তাঁদের পরিবারকে অনুদান দেবে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top