বাংলাদেশে স্থাপন হবে সোনার কারখানা | বিজনেস | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮
বিজনেস

বাংলাদেশে স্থাপন হবে সোনার কারখানা

অপরূপবাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২১ ১৬:২৩ আপডেট: ২ জুলাই ২০২১ ১৬:৩০

অপরূপবাংলা প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২১ ১৬:২৩


প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশ এতদিন পরিশোধিত সোনা আমদানি করত। এবার সোনা আমদানির নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে দেশ। আমদানি করা হবে অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা। এখানেই হবে সোনা পরিশোধনের কারখানা। কারখানায় পরিশোধন করে সোনার বার ও কয়েন উৎপাদন করা হবে। এগুলো আবার বিদেশে রপ্তানি এবং দেশে অলংকার তৈরির অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানো হবে।

গত মাসে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় স্বর্ণ নীতিমালা-২০১৮ সংশোধন করেছে। এ অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সোনা পরিশোধনের জন্য লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো কীভাবে অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা আমদানির অনুমতি নেবে, সে বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

জানা যায়, দেশের প্রভাবশালী একটি শিল্প গ্রুপ গত বছর সোনা পরিশোধনের কারখানা স্থাপনের আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তারা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুমতির জন্য আবেদন করে। এতে মন্ত্রণালয় অনুমতি দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করে। এই ধারাবাহিতায় স্বর্ণ নীতিমালা সংশোধন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ওই শিল্প গ্রুপটি ছাড়াও বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির একজন নেতাও সোনা পরিশোধনের কারখানা স্থাপনের অনুমতি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সোনা পরিশোধনের জন্য কারখানা স্থাপনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি লাগবে। নির্ধারিত স্থানে এই কারখানা স্থাপন করতে হবে। অন্য সব ধরনের লাইসেন্সের পাশাপাশি সোনা পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানকে সরকার অনুমোদিত ব্যবসায়ী সংগঠনের বৈধ সদস্য হতে হবে।

অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানকে অপরিশোধিত ও আংশিক পরিশোধিত সোনা আমদানির জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করতে হবে।

আমদানির অনুমতির জন্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের কাগজপত্র, হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, টিআইএন সনদ, মূসক নিবন্ধন, সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সংগঠনের সদস্যপদের কপি, প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের জীবনবৃত্তান্ত, পরিশোধনাগারের নির্ধারিত স্থানের মালিকানার দলিল ইত্যাদি জমা দিতে হবে। অনুমতি ফি বাবদ ৩০ লাখ টাকা জমা দিতে হবে। অনুমোদনের মেয়াদকাল হবে পাঁচ বছর। মেয়াদ শেষ হওয়ার তিন মাস আগে আবারও বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমতির নবায়ন নিতে হবে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top