সবার জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে ঋণ গ্রহীতার সিআইবি প্রতিবেদন | বিজনেস | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮
বিজনেস

সবার জন্য উন্মুক্ত হচ্ছে ঋণ গ্রহীতার সিআইবি প্রতিবেদন

বিজনেস প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২১ ১১:১৮ আপডেট: ৩ জুলাই ২০২১ ১৩:৫৪

বিজনেস প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০২১ ১১:১৮


ফাইল ছবি

এবার জন্য উন্মুক করা হচ্ছে সিআইবি প্রতিবেদন। আর  এর জন্য কোনো মাশুল গুনতে হবে না গ্রাহকদের। বাংলাদেশে ব্যাংক সুত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানা  গেছে।

ব্যাংক থেকে যারা ঋণ নেন তাদের সব ধরণের তথ্য সংরক্ষণ করে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রয়োজনে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ গ্রহীতার তথ্য নিতে পারে। এ জন্য দিতে হয় মাশুল। এখন থেকে তা আর লাগছে না বলে জানা গেছে যে কোনো গ্রাহক তার সিআইবি তথ্য সরাসরি সংগ্রহ করতে পারবে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ বাাংক বিশ্বব্যাংকের পরামর্শে  এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাটি মনে করছে, এতে বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ কমে আসবে। ঋণমান উন্নত হবে। পাশাপাশি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে ঋণখেলাপিদের। এছাড়া জামানত সম্পদের ভাণ্ডারের তথ্যকেও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হবে। ফলে কোনো গ্রাহকের ঋণ গ্রহণের সক্ষমতা সম্পর্কে জানতে পারবে ব্যাংক।

এদিকে এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সিআইবির পরিসর বাড়াতে এরই মধ্যে একটি সার্কুলার ব্যাংকগুলোতে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।ওই সার্কুলারে অনলাইনে তথ্য জমা দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়। যেখানে বলা হয়, এখন থেকে চলমান ও বকেয়া ঋণের তথ্য পৃথকভাবে জমা দিতে হবে। এতদিন সব ঋণের তথ্য একসঙ্গে দেয়া হতো। পাশাপাশি সব ঋণ প্রস্তাবের তথ্যও জমা দিতে হবে সিআইবিতে।

সূত্র জানায়, সিআইবির সফটওয়্যারের সঙ্গে ঋণগ্রহীতাদের জামানত হিসেবে রাখা সম্পদের তথ্যভাণ্ডারকে সংযোগ করা হবে। এতে সহজেই জানা যাবে কোনো গ্রাহকের ঋণ গ্রহণের সীমা। নতুন কেউ ঋণ দিতে চাইলে তার সম্পর্কে জানতে পারবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে ব্যক্তি বা প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ের ঋণ তথ্য জমা রয়েছে সিআইবিতে। কিন্তু সেখানে সব ঋণ তথ্য একসঙ্গে রয়েছে। সেখান থেকে খেলাপি চিহ্নিত করতে হয় পৃথকভাবে। কিন্তু এখন থেকে সিআইবির অনলাইন সিস্টেমের ইনকোয়ারি মডিউলে সব ঋণ ও চলমান ঋণকে পৃথকভাবে রাখা হচ্ছে। অর্থাৎ খেলাপি ঋণকে আলাদাভাবে শনাক্ত করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি আরও শক্তিশালী হবে। ইনকোয়ারি মডিউলটি বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব জনবল দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। এর ফলে মুহূর্তের মধ্যেই কোনো গ্রাহকের বকেয়া ঋণের সব তথ্য পাওয়া যাবে। কোন গ্রাহকের কোন কোন ব্যাংকে কী পরিমাণ ঋণ বকেয়া রয়েছে, তা জানা যাবে সহজেই। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন ঋণ বিতরণে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ব্যাংক।

১৯৯২ সালের ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ ব্যাংকে চালু করা হয় সিআইবি। অনলাইন সেবা চালু করা হয় ২০১১ সালে। বর্ধিত আকারে নতুন সেবা চালু করা হয় ২০১৫ সালের ১ অক্টোবর থেকে। বর্তমানে এক টাকা থেকে শুরু করে সব ঋণের তথ্য রয়েছে সিআইবিতে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top