ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের ঠাসাঠাসি | বিজনেস | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৭ আশ্বিন ১৪২৮
বিজনেস

ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের ঠাসাঠাসি

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০২১ ১৪:০৯ আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৬:১৩

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৩ এপ্রিল ২০২১ ১৪:০৯


ছবি : সংগৃহীত

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে পুরো দেশ কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে। এসময় বন্ধ থাকবে ব্যাংক। সে হিসেবে আজ (১৩ এপ্রিল) ব্যাংকের শেষ কার্যক্রম। সকাল থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ব্যাংকগুলোতে গ্রাহকের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। ব্যাংক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানালেন, গ্রাহকের চাপ রয়েছে, তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যাংকের ভেতরে প্রবেশ করানো হচ্ছে বলে বাইরে গ্রাহকের লাইনটা বড় হচ্ছে।

মতিঝিলে সব কটি ব্যাংকের সামনেই সকালে ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু হওয়ার আগে থেকেই ছিল লম্বা লাইন। সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন গ্রাহকের সঙ্গে কথা হয়। তাঁরা জানান, দেড় ঘণ্টা ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। তবে গ্রাহকদের বেশির ভাগের মুখে মাস্ক পরতে দেখা গেছে।

জনতা ব্যাংকের দিলকুশা শাখায় টাকা তুলতে গেছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আবদুর রহিম। তিনি বলেন, ব্যাংক বন্ধ থাকবে বলে টাকা তুলতে এসেছি। ৪০ মিনিট ধরে ব্যাংকের বাইরে লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। ভেতরে একবার গিয়ে দেখে এসেছি অনেক ভিড়। আরও কতক্ষণ লাগবে, বুঝতে পারছি না।

ওয়ান ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা এক নারী গ্রাহক বেলা সোয়া ১১টার সময় জানান, ২০ মিনিট ধরে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। এখনো ভেতরেই ঢুকতে পারেননি।
কারওয়ান বাজারেও একই চিত্র চোখে পড়ে। প্রিমিয়ার ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংকসহ প্রায় সব কটি ব্যাংকের ভেতরে ও বাইরে গ্রাহকের ভিড়। এমনকি বুথের সামনেও গ্রাহক উপস্থিতি অন্য সময়ের চেয়ে অনেক বেশি দেখা গেছে।

মোহাম্মদপুরে টাউনহলেও ব্যাংকগুলোতে ভিড় দেখা গেছে। পূবালী ব্যাংকের বাইরে ফুটপাতে গ্রাহকের লম্বা সারি চোখে পড়ে। গুলশানেও ছিল একই চিত্র। সকাল আটটা থেকেই ব্যাংকগুলোর সামনে মানুষকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। সকাল নয়টার দিকে গুলশান ১–এ সিটি ব্যাংকের বাইরে প্রায় ৪৩ জন গ্রাহককে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ব্র্যাক ব্যাংক ও ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেডের সামনেও একই অবস্থা দেখা গেছে।

১৪ থেকে ২১ এপ্রিল ব্যাংক বন্ধ থাকার কারণে এ সময়ে ব্যাংকগুলোর এটিএম বুথ থেকে দিনে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ উত্তোলন করা যাবে। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ ব্যাংকের কার্ড দিয়ে দিনে ৫০ হাজার টাকা ও কিছু ব্যাংক থেকে বেশি অর্থ উত্তোলন করা যায়। নিজ ব্যাংকের বুথ ও অন্য ব্যাংকের বুথ থেকে একই সীমা প্রযোজ্য হবে।

করোনার সংক্রমণ প্রতিরোধে ৫ এপ্রিল থেকে সারা দেশে চলাচলে ও কাজে সরকারি বিধিনিষেধ আরোপ করা আছে। ওই বিধিনিষেধ অনুযায়ী ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সকাল ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত খোলা ছিল। গতকাল ব্যাংক চলে বেলা একটা পর্যন্ত। তবে ১৪ এপ্রিল থেকে ব্যাংক বন্ধের সিদ্ধান্ত হওয়ায় কাল লেনদেন সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top