করোনার টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন আয়ের দেশগুলো পিছিয়ে | শিক্ষা | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৫ কার্তিক ১৪২৮
শিক্ষা

করোনার টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন আয়ের দেশগুলো পিছিয়ে

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ১২:৩০ আপডেট: ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ১৭:৪২

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১২ ডিসেম্বর ২০২০ ১২:৩০


ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ফাইল ফটো

শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, করোনাভাইরাসের টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে নিম্ন আয়ের দেশগুলো অনেক পিছিয়ে পড়েছে। 

শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর দেয়া  এক বিবৃতিতে তিনি বলেন,  ইউরোপ ও আমেরিকার ধনী দেশগুলো এরই মধ্যে এই টিকার বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় সবটাই তাদের জনগণের স্বার্থে নিজেদের দখলে নিয়ে গেছে। ইউনূস সেন্টার থেকে এই বিবৃতি পাঠানো হয়। 

বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন কোভিড-১৯ টিকাকে একটি বৈশ্বিক সর্বসাধারণের সামগ্রী হিসেবে ঘোষণা করতে জুন মাস থেকে প্রফেসর ইউনূস বিশ্বব্যাপী এক প্রচারাভিযান শুরু করেছেন। এরই মধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ২৪ জন নোবেল বিজয়ী এবং ১২৫ জন সাবেক প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী ও খ্যাতনামা ব্যক্তিরা এই কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। আসন্ন ইউরোপীয় রাষ্ট্রপ্রধানদের ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন সম্মেলন, দ্যা ট্রিপস সম্মেলন, ডাব্লিউটিও সম্মেলন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন সম্মেলনকে সামনে রেখে প্রফেসর ইউনূসের শুরু করা এবং আভাজ সমর্থিত এই পিটিশনে ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ৯ লাখ ১৩ হাজার ৪৫৩ জন স্বাক্ষর করেছেন।

বিবৃতিতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, ‘উত্তর গোলার্ধকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ড. টেড্রোসের জরুরি সতর্কবার্তা বোঝানো যাচ্ছে না। সকলকে নিরাপদ না করা পর্যন্ত কেউই নিরাপদ নয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘ইউরোপ ও আমেরিকার ধনী দেশগুলো এরইমধ্যে এই টিকাের বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় সবটাই তাদের স্বার্থে নিজেদের দখলে নিয়ে গেছে এবং এর ফলে নিম্ন আয়ের দেশগুলো টিকা পাবার ক্ষেত্রে অনেক পিছিয়ে পড়েছে। এর ফলে কোভ্যাক্স-এর মতো প্রশংসনীয় বর্তমান পদ্ধতিতেও ২০২১ সালের শেষে পৃথিবীর সর্বত্র এই টিকা পৌঁছানো যাবে না।’

উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের জুন মাসে তার প্রথম আবেদনের পর প্রফেসর ইউনূস পিপলস টিকা অ্যালয়েন্স (People’s Vaccine Alliance)-এ যোগ দেন এবং জাতিসংঘ, বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং সিদ্ধান্ত প্রণেতাদের কাছে পৌঁছাতে বিভিন্ন বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠান যেমন UNAIDs, Oxfam ও অ্যালায়েন্সভুক্ত ২০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে কাজ করছেন।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top