নাসিরউদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা পরীমনির | বিনোদন | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বৃহঃস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮
বিনোদন

নাসিরউদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা পরীমনির

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২১ ১৩:৫২ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:৪১

নিজস্ব প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৪ জুন ২০২১ ১৩:৫২


ছবি : সংগৃহীত

ব্যবসায়ী নাসিরউদ্দিনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যা চেষ্টার অভিযোগে মামলা করেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি।

সোমবার (১৪ জুন) সাভার থানায় তিনি এ মামলা দায়ের করেন। এতে নাসিরউদ্দিন ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৪ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে সকালে রূপনগর থানার মাধ্যমে লিখিত অভিযোগ করেন পরীমনি।

সাভার থানার পরিদর্শক কাজী মাইনুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পরীমনি নিজে বাদী হয়ে মোট ৬ জনের নামে এ মামলা করেছেন (মামলা নম্বর ৩৮)।

জানা যায়, ৯ জুন (বুধবারে) রাতে বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে পরীমনিকে ধর্ষণ ও হত্যা চেষ্টা করা হয়।

রোববার (১৩ জুন) রাতে প্রথমে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। পরে তার নিজ বাসায় সাংবাদিকদের এ ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘বোট ক্লাবে নাসির উদ্দিন নামে একজন তাকে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে এ ঘটনা ঘটাতে চেয়েছিলেন।’

পরীমনি বলেন, এমন ঘটনায় সাধারণ মেয়েরা প্রথমে কোথায় যায়? থানায় যায়। আমিও থানায় গিয়েছি। আমি বারবার বলেছি, ঘটনাটা যদি নিজের সঙ্গে না ঘটে তাহলে কেউ বুঝবে না। ওইদিন পর্যন্ত কি তবে অপেক্ষা করবেন?

কী ঘটেছিলো সেটা জানতে চাই, আপনি নির্ভয়ে বলুন— সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নে পরীমনি বলেন, ‘আমার মুখটা সাদা কাপড়ে ঢাকা পড়লেই কেবল বুঝতেন। আমি চার দিন ধরে কারও সাপোর্ট পাইনি। আপনারা সত্যিটা খোঁজেন।’

সাধারণ কোনো মেয়ের হলে সে খবর হয়তো আপনাদের কাছে পৌঁছাতো না। আমার মতো যখন কোনো মেয়েকে ভয় দেখানো হয়, তখন সাধারণ মেয়েদের খবর তো পাবেন না!’

তিনি বলেন, বুধবার রাত পৌনে ১১টার দিকে তার এক বন্ধু (অমি) বাসায় আসেন। বাসা থেকে তাকে বোট ক্লাবে (ঢাকা বোট ক্লাব) নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন জিমি (ব্যক্তিগত রূপসজ্জাশিল্পী)। বোট ক্লাবে যাওয়ার পর সেখানে সাত/আটজনের একটা গ্রুপ ছিলো। তাদের মুরব্বি ছিলেন নাসিরউদ্দিন (নাসির ইউ মাহমুদ)। তিনি বোট ক্লাবের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচয় দেন।

‘নাসিরউদ্দিনসহ (নাসির ইউ মাহমুদ, প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী) উপস্থিত সাত/আটজন আমাকে আটকে ফেলে। জোর করে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে অজ্ঞান করার চেষ্টা করে। জিমিকে মারধর করা হয়। অশ্লীল নানা কথাবার্তা বলা হয়। মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়।’

নাসিরউদ্দিন (নাসির ইউ মাহমুদ) তার সঙ্গে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করেন বলেও অভিযোগ করেন পরীমনি।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top