বাবা মানে নির্ভরতা, বাবা মানেই বটবৃক্ষের ছায়া... | জাতীয় | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বৃহঃস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮
জাতীয়
আজ বিশ্ব বাবা দিবস

বাবা মানে নির্ভরতা, বাবা মানেই বটবৃক্ষের ছায়া...

রেজাউল করিম খোকন

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২১ ০৯:৩৩ আপডেট: ২০ জুন ২০২১ ১২:০৩

রেজাউল করিম খোকন | প্রকাশিত: ২০ জুন ২০২১ ০৯:৩৩


বাব দিবসের ছবি

বাবা শুধু একজন মানুষ নন, স্রেফ একটি সম্পর্কের নাম নয়। বাবার মাঝে জড়িয়ে আছে বিশালত্বের এক অদ্ভুত মায়াবী প্রকাশ। বাবার কাঁধটা কি অন্য সবার চেয়ে বেশি চওড়া? তা না হলে কি করে সমাজ সংসারের এত দায়ভার অবলীলায় বয়ে বেড়ান বাবা। বাবার পা কি অন্য সবার চেয়ে অনেক বেশি দ্রুত চলে? নইলে এতোটা পথ এত অল্প সময়ে কি করে এত শক্ত করে সব কিছু আগলে রাখেন বাবা। আর বাবার ছায়া ...? সেটাও শেষ বিকেলের বটগাছের ছায়ার চাইতেও বড়। বড় যদি না হবে তবে জীবনের এতো উত্তাপ থেকে কি করে সন্তানকে সামলে রাখেন বাবা আর বাবার চোখ? সেটাও কি দেখতে পায় কল্পনার অতীত কোন দূরত্ব। তা না হলে কি করে সন্তানের ভবিষ্যত ভাবনায় শঙ্কিত হন বাবা। সত্যি বলতে কি বাবাকে নিয়ে আমরা কেউই এমন করে কখনও ভাবি না। শুধু আমাদের বাবা, শত সাধারণের মাঝেও অসাধারণ হয়ে ওঠা আমাদের জনক, আমাদের অকাতরে ভালবেসে যান তার সামর্থ্যরে শেষ বিন্দুটুকু দিয়ে। উজাড় করে দেন তার সবকিছুই শুধু তার সন্তানের জন্য।

 

তার যা কিছু আছে নিজের জন্য আর অবশিষ্ট রাখেন না কোনভাবেই। সবকিছু উজাড় করে দেয়ার পরও তাকে কোনভাবে নিঃস্ব বলে মনে হয় না। মনে হয় তিনি যেন পরম তৃপ্তিতে আরও পরিপূর্ণ হয়ে উঠেছেন। বরং শ্রমে ঘামে   স্নেহ সন্তানকে তিলে তিলে বড় করে তুলতে সচেষ্ট বাবা মহান সৃষ্টিকর্তার সান্নিধ্যেও ফরিয়াদ জানান তার সন্তানের মঙ্গলের জন্য। আর বাবার সেই আহবান হয়ত গর্বিত করে তোলে অন্তর্যামীকেও।সন্তানের জন্য বাবার ভালোবাসা সীমাহীন।

নিজের সন্তানের জন্য মোগল সম্রাট বাবরের ভালোবাসার উদাহরণ ইতিহাস হয়ে আছে। সম্রাট বাবর নিজের সন্তান হুমায়ূনের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করতে প্রস্তুত ছিলেন। এমন স্বার্থহীন যার ভালোবাসা, সেই বাবাকে সন্তানের খুশির জন্য জীবনের অনেক কিছুই ত্যাগ করতে হয়।
এক সময় সামাজিক অটুট বন্ধনে যৌথ পরিবার ছিল নিউক্লিয়াসের মতো। সভ্যতার বিকাশে ক্রমেই যৌথ পরিবারগুলো ভেঙ্গে খন্ড খন্ড হয়ে একক পরিবারে রূপান্তরিত হচ্ছে। এখন যে একক পরিবারের প্রাধান্য সেই পরিবারের সদস্যরা জীবনের সঠিক মূল্যবোধ সম্পর্কে ধারণা পাচ্ছে না। এখনকার নাগরিক জীবনে ব্যস্ততা যান্ত্রিক গ্রাস করেছে সবাইকে। আজকাল বাবা-মা’রা তাদের সন্তানদের যথাযথভাবে সময় দিতে পারছেন না। পেশাগত নানা ব্যস্ততায় অস্থির সময় কাটছে সবার। সন্তান তার বাবা-মাকে কাছে পাচ্ছে খুব কম। আমরা যারা এখন বাবা কিংবা মা, একবার ভেবে দেখুন, আমরা আমাদের সন্তানদের কতটা দেখভাল করতে পারছি আগের দিনের বাবা মায়েদের তুলনায়? আমাদের বাবা-মায়েরাও কম ব্যস্ত মানুষ ছিলেন না। তারা কর্মজীবনের অনেক অনেক ব্যস্ততা, ঘর গৃহস্থালি কাজের নিত্য ঝামেলার পরেও আমাদের খাওয়া দাওয়া, লেখাপড়া, জীবন গঠন, সঠিকভাবে যোগ্যভাবে মানুষ হয়ে ওঠা ইত্যাদি বিষয়ে সার্বক্ষণিক মনোযোগ রেখেছেন, যেখানে যা করা দরকার তাই করেছেন।

 

যেমনভাবে শাসন করেছেন তেমনিভাবে আদর স্নেহও করেছেন। আমাদের চাহিদা, সাধ আহ্লাদ পূরণের ক্ষেত্রে তাদের বিন্দুমাত্র অবহেলা কিংবা অমনোযোগ ছিল না। গ্রীক কবি হোমারের একটি কথা এ ক্ষেত্রে স্মরণ করতে হয়। তিনি বলেছিলেনÑ' সেই জ্ঞানী বাবা,যে তার সন্তানকে জানেন'। আজকের দিনে বাবা-মা’রা তাদের সন্তানদের সঠিকভাবে সময় দিচ্ছে না বলে সময়ের ধারাবাহিকতায় পারিবারিক অপশাসনে সন্তান হচ্ছে বিপথগামী, সন্ত্রাসী, মাদকাসক্ত, উচ্ছৃঙ্খল, ভংঙ্কর অপরাধ। অসৎ সঙ্গে তাদের জীবন হচ্ছে পংকিলতায় পরিপূর্ণ। সন্তান ধ্বংসের পথে ধাবিত হচ্ছে। বাবা-মাকে এ জন্য শক্ত হাতে সংসারের হাল ধরতে হবে। সন্তানের প্রতি বাবা হিসেবে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। যার ঔরসে সন্তানের পৃথিবীতে আগমন সেই বাবা সন্তানের জন্য যেন এক নিবিড় ছায়া। যার কাজ দুঃখ কষ্ট থেকে দূরে সরিয়ে রেখে সন্তানকে ভালোবাসার আর্দ্রতা উপহার দেয়া। রক্তের বাঁধনে বাধা চমৎকার সম্পর্ক বাবা ও সন্তানের। সন্তান ও বাবার সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হচ্ছে শ্রদ্ধা। বাবার কাছেই তার যত আবদার, যেন বাবাই তার আশ্রয়। তাই বেশিরভাগ সন্তানের চোখে বাবাই শ্রেষ্ঠ মানুষ। পুত্র জীবনযুদ্ধে বাবাকে মুলত সেনাপতি হিসেবে দেখে, যার শাসনাধীনেই চালিত হয় তার যাপিত জীবন। শৈশব কৈশোরে পিতাই হন পুত্রের ' ফ্রেন্ড, ফিলোসফার এন্ড গাইড'। অন্যদিকে পুত্রের মাঝে সাধারণত পিতা নিজের ছায়া দেখতে পান কিংবা দেখতে চান নিজের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির হিসাব মেলাতে না পারা বাবা তার সন্তানের মাধ্যমে সেই আশা স্বপ্ন পূরণের নতুন স্বপ্ন বুনতে থাকেন। ব্যর্থ স্বপ্ন ও সাধ পূরণ করতে চান বাবা সন্তানের মাধ্যমেই। আর সন্তানও বেশিরভাগ সময় প্রভাবিত হয়ে বাবার ব্যক্তিত্বের ছায়ায়।


আধুনিক জীবন যাপনে বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের সমীকরণ অনেকটা ওলটপালট হয়ে গেছে। এখন বাবার কাছে আপন সন্তানকে অনেক সময় বড্ড অচেনা মনে হয় আজকাল বাবা ও ছেলে সম্পর্কে ক্ষেত্রে অনেক অবনতি ঘটেছে। কমিউনিকেশন গ্যাপটা দিনে দিনে প্রকট হয়ে উঠছে। ব্যক্তিত্বের সংঘাত পারিবারিক জীবনে অস্বস্তি, বিশৃঙ্খলা, অবিশ্বাস, দুঃখ-যন্ত্রণা বাড়িয়ে তুলছে কেবলই। সন্তানের কোনভাবেই ভুলে যাওয়া উচিত নয়, তাকে বড় করে তুলতে যোগ্য মানুষ হিসেবে এই পৃথিবীতে প্রতিষ্ঠিত হতে এবং পথ চলতে বাবা তার জন্য কত ত্যাগ করেছেন, জীবনের সুখ স্বাচ্ছন্দ্য আনন্দ বিসর্জন দিয়েছেন। এ জন্য বাবাকে কতটা পথ পাড়ি দিতে হয়েছে। আবার অন্যদিকে সন্তানেরও উপলব্ধি করা উচিত বাবা বিনিময়ে কিছু পাবার উদ্দেশ্যে তার জন্য এতো কিছু করেননি। পিতারও বোঝা উচিত সন্তানকে যুগের দাবি মেটাতে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। একটি মেয়ের জীবনে প্রথম পুরুষই হচ্ছে তার বাবা। বাবার সঙ্গেই তার যত খুনসুটি। বাবার কাছে যত চাওয়া-পাওয়া। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 'মিস্টার রাইট' হচ্ছে তার বাবা। এত বড় জগৎ সংসারে একটি শিশুর জন্য বাবা হলেন সবচেয়ে বড় শক্তি। পরিবারে একটি শিশু তার নিষ্পাপ চোখে বাবাকে দেখে পরিবারের সবচেয়ে ক্ষমতাধর, জ্ঞানী, স্নেহশীল ও পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে। শিশুদের কাছে বাবাই হন আদর্শ মানুষ ও অনেক শক্তি আর অনুপ্রেরণার উৎস। আমরা যদি প্রত্যেকে নিজের জীবনটাকে গভীরভাবে উপলব্ধি করতে চেষ্টা করি তাহলে বাবা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসেবে চোখের সামনে, মনের পর্দায় ছায়া ফেলেন। বাবা যে বাবাই। তার সঙ্গে অন্য কারো তুলনা চলে না। যার কারণে এই পৃথিবীর রঙ, রূপ, সৌন্দর্য দেখার সুযোগ লাভ করেছি সবাই সেই বাবা নামটির সঙ্গে যে অপার ¯েœহ আর মমতার অদ্ভুত এক মিশেলে আর দৃঢ় বন্ধনে আমরা জড়িয়ে থাকি। একজন ছেলে কিংবা মেয়ের জীবনে সবচেয়ে প্রিয় এবং সর্বধিকবার উচ্চারিত শব্দগুলোর মধ্যে ‘বাবা’ই অন্যতম।

একজন শিশু পৃথিবীতে আসার পর আধো আধো বোলে যখন কথা বলতে শুরু করে তখন তার মুখ থেকে ‘বাবা’ এবং ‘মা’ শব্দ দুটি প্রথম উচ্চারিত হয়। বাবা যেন সন্তানের কাছে এক মহীরুহ। সন্তানের মুখে ‘বাবা ডাক শুনে যে কোন বাবাই পুলকিত হন।। পিতা-মাতার প্রতি সন্তানের যথাযথ দায়িত্ব পালন এবং বৃদ্ধ বয়সে বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের যত্নবান হওয়াটা মানবিক দায়িত্ব ও কর্তব্য হলেও তা পালনে আন্তরিক ও সচেষ্ট নন অনেক মানুষ। বৃদ্ধ বাবা-মায়ের খোঁজখবর রাখেন না অনেক ছেলেমেয়ে। নানা কষ্টে-দুর্ভোগে অসহায়ভাবে জীবনযাপন করেন তারা, এটা কোনভাবেই কাম্য নয়। পিতা-মাতার প্রতি সন্তানদের দায়িত্ববান করতে সংসদে আইন পাস হয়েছে। পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনে অবহেলাকারীদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। এই আইন অনেককে দায়িত্ববান এবং সিরিয়াস করবে হয়তোবা। তবে এ ক্ষেত্রে আইনের চেয়ে হৃদয়ের একান্ত আবেগ অনুভূতিটাই বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। অনেক বাবা-মা নিজে অশিক্ষিত হলেও সন্তানদের উচ্চশিক্ষিত করেন অনেক ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে। কর্মজীবনে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হওয়ার পর অনেক সন্তান অশিক্ষিত বাবা-মাকে স্বীকার করতে লজ্জা পান, তাদের পরিচয় দিতে বিব্রতবোধ করেন। তাদের মতো নরাধম আর কেউ হতে পারে না। সেইসব নরাধমের জন্য করুণা হয়। আসুন, আমরা সবাই আইনে কারণে নয় যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করি, জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাদের সেবা যতেœ নিজেদের সর্বোতভাবে উৎসর্গ করি। সন্তানের প্রধান কর্তব্য হওয়া উচিত মাতা-পিতার সকল রকম সুখের দিকে লক্ষ্য রাখা। পিতা-মাতার শারীরিক, মানসিক সকল সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের দিকে সন্তানের দৃষ্টি দিতে হবে। মাতা-পিতার মনে আঘাত লাগে তেমন কর্মকা- থেকে সব সময় বিরত থাকতে হবে। মাতা-পিতার ভরণপোষণের দায়িত্বটাকে কোনভাবেই বোঝা না ভেবে এটাকে জীবনের একটি প্রধান দায়িত্ব বিবেচনা করতে হবে। মা-বাবা যখন বৃদ্ধ বয়সে পৌঁছেন তখন তারা কর্মজীবন থেকে অবসর জীবনে পৌঁছে যান। অনেকেই তখন সন্তানের ওপর নির্ভরশীল হন। এই অবস্থায় তাদের সব রকমের সুখ স্বাচ্ছন্দ্যের ব্যবস্থা করা সন্তানের কর্তব্য। নিজের জীবনে অভাব, অভিযোগ, সমস্যা, সঙ্কট যতই থাকুক না কেন তার পরও পিতা-মাতার সুখ স্বাচ্ছন্দের বিষয়টাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কোনভাবেই তাদের অবাধ্য হওয়া যাবে না। তাদের স্বাস্থ্যের দিকে দৃষ্টি রাখতে হবে ।
প্রতিবছর জুনের তৃতীয় রবিবার বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাবা দিবস পালিত হয়। আমাদের দেশেও আজকাল বেশ ঘটা করেই বাবা দিবস পালিত হয়ে থাকে। বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে উৎসর্গ করা হয়ে থাকে। যদিও বাবার প্রতি সন্তানের ভালোবাসা প্রকাশের জন্য দিনটি বিশেষভাবে উদযাপনের প্রয়োজন হয় না। তার পরেও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মতো বাংলাদেশে এখন বাবা দিবস পালন করা হয়। তাই বলে এ ধরনের দিবসগুলো যে একেবারেই অপ্রয়োজনীয় তা কিন্তু বলা যাবে না।
বাবা দিবসের প্রাক্কালে সন্তানের সামনে সুযোগ আসে বাবাকে অন্তরের গভীর থেকে কৃতজ্ঞতা জানানোর। আমাদের সবার উচিত বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্বশীল হওয়া। তারা বৃদ্ধ বয়সে যাতে কোনভাবে অবহেলার শিকার না হন সেদিকে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে। অনেক সন্তান রয়েছে, যারা মা-বাবার দেখাশোনার প্রতি খুব একটা মনোযোগী নয়। মা দিবস বা বাবা দিবস তাদের চোখের সামনের পর্দাটি খুলে ফেলে বাবা-মায়ের প্রতি তার দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এ ক্ষেত্রে বলতে পারিবারিক বন্ধনকে আরও অনেক সুদৃঢ় করতে বাবা দিবসের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। আমাদের পারিবারিক জীবনে এবং সমাজে বাবার যে গুরুত্ব তা আলাদাভাবে তুলে ধরতেই বাবা দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য।যাদের বাবা রয়েছেন কাছে কিংবা দূরে তাদেরকে বাবা দিবসের প্রাক্কালে বিশেষভাবে সম্মান জানানো হলে তারা নিশ্চয়ই খুশি হবেন। আর যাদের বাবা নেই, এর মধ্যেই দুনিয়া ছেড়ে চলে গেছেন, তাদের স্মরণ করুন শ্রদ্ধাভরে, তাদের আত্মার শান্তি কামনা করে সৃষ্টিকর্তার কাছে বিশেষভাবে প্রার্থনা করুন। এ কথা সবাইকে অবশ্যই মানতে হবে, মানবজীবনে বাবার অবদান এবং গুরুত্ব অপরিসীম। তাই এবারের বাবা দিবসে নিজেদের বাবাকে পরম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করি, সব কিছুর ঊর্ধে তাকে স্থান দিই। আমাদের আচরণ যেন কোনভাবেই তার মনে আঘাত করতে না পারে সেদিকে বিশেষভাবে মনোযোগী হতে হবে সবাইকে।

 




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top