জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত | জাতীয় | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৫ কার্তিক ১৪২৮
জাতীয়

জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:১৬ আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২১ ১২:৪২

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:১৬


জিয়াউর রহমান

স্বাধীনতা পদক প্রত্যাহারের পর এবার বাতিল হতে যাচ্ছে জিয়াউর রহমানের ‘বীর উত্তম’ খেতাব। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের (জামুকা) মহাপরিচালক মো. জহুরুল ইসলাম রোহেল।

তিনি জানান, জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাবসহ বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি শরিফুল হক ডালিম, নূর চৌধুরী, রাশেদ চৌধুরী এবং মোসলেহ উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় খেতাবও বাতিল হচ্ছে।

জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের এই মহাপরিচালক আরও বলেন, এই পাঁচজন ও তাদের পরিবার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কোনো ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন না। মঙ্গলবার (০৯ ফেব্রুয়ারি) জামুকার ৭২তম সভায় এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে তিনি জানান।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে জামুকার ওই সভায় অন্য সদস্যদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এটি এখন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। পরবর্তীতে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়।

জিয়াউর রহমানের বীর উত্তম খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্তের বিষয়ে নাম না প্রকাশে একজন কর্মকর্তা বলেন, সংবিধান লঙ্ঘন করে ক্ষমতা দখল, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশত্যাগে সহায়তা এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করার কারণে খেতাব বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েছে।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করা জিয়াউর রহমানসহ ৪৯ জন যুদ্ধফেরত মুক্তিযোদ্ধাকে ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার সর্বোচ্চ বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করে।

কিন্তু তিনি সেক্টর কমান্ডার ও বীর উত্তম খেতাবধারীদের মধ্যেও অনন্য ছিলেন স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে। ২৭ মার্চ এই ঘোষণা ‘মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের’ পক্ষে তিনি প্রদান করেন কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে। এরপর জিয়া চট্টগ্রাম যুদ্ধাঞ্চল, ১১ নম্বর সেক্টরের অধিনায়ক এবং পরে জেড ফোর্সের প্রধান হিসেবে বহু আলোচিত যুদ্ধের নেতৃত্ব প্রদান করেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবার হত্যার ষড়যন্ত্রে জিয়াউর রহমানের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায় থেকে বরাবরই অভিযোগ করা হয়েছে, তবে তার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা মামলায় আসামি করা হয়নি মেজর জিয়াকে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top