লকডাউন কপালে চিন্তার ভাঁজ, বাজার অস্থির | জাতীয় | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বৃহঃস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮
জাতীয়

লকডাউন কপালে চিন্তার ভাঁজ, বাজার অস্থির

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২১ ১৫:৩৬ আপডেট: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ ২১:১৯

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ৩ এপ্রিল ২০২১ ১৫:৩৬


লকডাউন প্রতীকি ছবি

করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়ার কারণে অবশেষে লক-ডাউনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ৫ এপ্রিল সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য এই লক-ডাইন কার্যকর করা হবে। পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে সারাদেশ সোমবার (৫ মার্চ) থেকে এক সপ্তাহের লকডাউনে যাচ্ছে।

শনিবার (৩ মার্চ) তিনি এ তথ্য জানান। নিজের সরকারি বাসভবনে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে আগামী সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য সারা দেশে লকডাউন ঘোষণা করতে যাচ্ছে সরকার। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে, একই তথ্য জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে তিনি বলেন, 'করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এক সাপ্তহের জন্য সারা দেশে লকডাউনে যাচ্ছে সরকার।' তবে শিল্প কলকারখানা খোলা থাকবে এবং সেগুলোতে শিফটিং ডিউটি চলবে বলে জানান তিনি।

এদিকে লকডাউনের ঘোষনায় সাধারণ মানুষ বিশেষ করে, নিম্ন মধ্যবিত্ত ও মধ্যবিত্ত মানুষের কপালের চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আগামী দিনগুলোতে কিভাবে সংসার চালাবেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে কিভাবে বেঁচে থাকবেন সেই চিন্তায় অস্থির হয়ে পড়েছেন তারা।
রফিকুল ইসলাম নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার বলেন, ভাই গত তিন মাসে কোনো রকমে কোমরটা একটু সোজা করে দাঁড়াতে শুরু করেছিলাম। কিন্তু আবারও লক ডাউনের ঘোষনা বড় ধরনের দু:শ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে। অফিস ভাড়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কিভাবে পরিশোধ করবো ভেবে পাচ্ছি না। টিকা আসার আর মানুষের ঢিলেঢালা ভাব আর সরকারের পরিকল্পনার দুর্বলতার কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
চায়ের দোকানদার বেলাল মিয়া জানান, এবার হয়তো ভিক্ষার থালি হাতে নিয়ে পথে নামতে হইবো। কিন্তু ভিক্ষাডা দিবো ক্যাডায়। সবার ঘরেই তো অভাব শুরু হইবো।
এদিকে লকডাউনের খবর চাউর হওয়ার পরেই বাজারের চিত্র যায় পাল্টে শনিবার ছুটির দিন হওয়াতে মানুষ এমনিতেই বাজার করতে যায়। এ ঘোষনার পর বাজারে লোক সমাগম প্রায় দ্বিগুন হয়েছে। আসন্ন রোজার কারণে জিনিস পত্রের দাম এমনিকেই বাড়তির দিকে ছিল। আর সেই আগুনে ঘি ঢেলে দিয়েছে লকডাউনের ঘোষনা।
নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকানে বিক্রিও বেড়েছে দ্বিগুন। দক্ষিণ বনশ্রীর এক মুদি দোকানদার জানান, প্রতিদিন দুপুর ১২ টা পযর্ন্ত আমরা বিক্রি করি ৬০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা। আজ বিক্রি লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তবে পণ্য দিতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। এভাবে বিক্রি বাড়লে পণ্য সংকট দেখা দেবে বলে তিনি জানান।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top