সাগরে মহীসোপানের দাবি বাংলাদেশের, আপত্তি ভারতের | জাতীয় | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২০ অক্টোবর ২০২১, ৫ কার্তিক ১৪২৮
জাতীয়

সাগরে মহীসোপানের দাবি বাংলাদেশের, আপত্তি ভারতের

অপরূপবাংলা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:২৪ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:২৫

অপরূপবাংলা ডেস্ক | প্রকাশিত: ১৮ এপ্রিল ২০২১ ০০:২৪


ফাইল ফটো

২০১১ সালে জাতিসংঘের কাছে বঙ্গোপসাগরে মহীসোপানের দাবির বিষয়ে আবেদন জানায় বাংলাদেশ। গেল বছরের অক্টোবরে দাবিটির বিষয়ে সংশোধনী জমা দেয় বাংলাদেশ। কিন্তু প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের বিরোধিতার কারণে বাংলাদেশের মহীসোপানের বিষয়টির এখনো সুরাহা হয়নি।

সমুদ্রপৃষ্ঠের যে বেসলাইনের ভিত্তিতে বাংলাদেশ মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, তা ভারতের মহীসোপানের একটি অংশ। তাই ভারত জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণবিষয়ক কমিশনে বাংলাদেশের দাবিকে বিবেচনায় না নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।

শুক্রবার জাতিসংঘের মহীসোপান নির্ধারণসংক্রান্ত কমিশনে (সিএলসিএস) ভারত এই আপত্তি জানায়।

ভারতের আগে এ বছরের জানুয়ারিতে বাংলাদেশের দাবির বিষয়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছে মিয়ানমার। কিন্তু ভারতের মতো বাংলাদেশের দাবির প্রতি আপত্তি জানায়নি দেশটি। বাংলাদেশ আইনগতভাবে মহীসোপানের যতটা প্রাপ্য, তা থেকে নিজেদের অংশ বলে দাবি করছে দুই প্রতিবেশী দেশ।

গত শুক্রবার জাতিসংঘের সিএলসিএস ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ভারতের আপত্তিপত্রে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ভূখণ্ডের যে বেসলাইনের ওপর ভিত্তি করে মহীসোপান নির্ধারণ করেছে, সেটির মাধ্যমে ভারতের মহীসোপানের একটি অংশ দাবি করছে বাংলাদেশ। এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে যে ‘গ্রে এরিয়া’ রয়েছে, সেটির বিষয়ে বাংলাদেশ কোনো তথ্য দেয়নি। ‘গ্রে এরিয়া’ হচ্ছে বঙ্গোপসাগরে একটি ছোট অংশ, যেখানে পানির মধ্যে যে সম্পদ রয়েছে, যেমন মাছ, সেটির মালিক ভারত; কিন্তু মাটির নিচে যে খনিজ পদার্থ আছে, সেটির মালিক বাংলাদেশ। এই অংশের পরিমাণ প্রায় ৯০০ বর্গকিলোমিটার।

বাংলাদেশের মহীসোপানের বিষয়ে ভারতের আপত্তির বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মেরিটাইম অ্যাফেয়ার্স ইউনিটের সচিব অ্যাডমিরাল মো. খুরশেদ আলম বলেন, ভারত সিএলসিএসে আমাদের মহীসোপানের দাবির বিষয়ে আপত্তি তুলেছে। তাদের যুক্তিগুলো বিশ্লেষণ করে আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কমিশনে নিজেদের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরব।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top