মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ , ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০

modhura
Aporup Bangla

হত্যায় জড়িত ভাতিজা গ্রেপ্তার

নির্বাচনী সহিংসতা নয়, সম্পত্তির  বিরোধে খুন হন কাজিমুদ্দিন

জাতীয়

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৯:২৯, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

সর্বশেষ

নির্বাচনী সহিংসতা নয়, সম্পত্তির  বিরোধে খুন হন কাজিমুদ্দিন

গ্রেফতারকৃত মোহাম্মদ আবদুল লতিফ খাঁন

নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা নয়, সম্পত্তির ভাগ নিয়ে বিরোধে ঢাকার আশুলিয়ায় খুন হন ব্যবসায়ী ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ঠিকাদার মো. কাজিমুদ্দিন। এ ঘটনায় জড়িত মোহাম্মদ আবদুল লতিফ খাঁনকে গ্রেপ্তারের পর গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানায় র্যা্ব। গ্রেপ্তার যুবক নিহতের বড় ভাইয়ের ছেলে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে গতকাল রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাকব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে র্যা বের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গত ৭ ফেব্রুয়ারি সকালে আশুলিয়ার ডেন্ডাবর এলাকায় লিপি ডেইরি ফার্মের বিশ্রাম কক্ষ থেকে ফার্মটির স্বত্বাধিকারী কাজিমুদ্দিনের গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তাঁর স্বজন ও স্থানীয় কিছু মানুষ ঘটনাটিকে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতা বলে ধারণা করেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে আশুলিয়া থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ছায়াতদন্তের একপর্যায়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মোহাম্মদ আবদুল লতিফ খাঁনকে শনাক্ত করে র্যা ব। এরপর বৃহস্পতিবার রাতে র্যাকব-৪ এর একটি দল ঢাকার আশুলিয়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। 
র্যা বের মুখপাত্র জানান, গ্রেপ্তার লতিফের বাবা মারা যাওয়ার পর তিনি চাচাদের সঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তার পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগাভাগি নিয়ে চাচা কাজিমুদ্দিনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে প্রায়ই তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডা হত। ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে কাজিমুদ্দিন তাঁর ডেইরি ফার্ম দেখতে স্ত্রী–সন্তানকে নিয়ে যান। পরে তাদের বাসায় পাঠিয়ে তিনি ফার্মের বিশ্রামকক্ষে গিয় বসেন। তিনি মাঝেমধ্যে সেখানে রাতে থাকতেন। ঘটনার রাতে লতিফ সেখানে গিয়ে তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ নিয়ে কথা বলেন। তাদের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে লতিফ উত্তেজিত হয়ে ঘরে থাকা বঁটি দিয়ে চাচার গলায় কোপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনাটি আড়াল করতে লতিফ নিহতের মোবাইল ফোন নিয়ে বের হন এবং বিশ্রামকক্ষের দরজায় তালা দিয়ে হত্যায় ব্যবহৃত বঁটি পাশের ঘরে রেখে চলে যান। পরদিন সকালে নিহতের স্ত্রী ফার্মের বিশ্রামকক্ষে তালা দেখে ধারণা করেন, তাঁর স্বামী বাইরে গেছেন। পরে ফার্মের এক কর্মী গরুর ওষুধ নেওয়ার জন্য তালা খুলে ভেতরে ঢুকে কাজিমুদ্দিনের লাশ দেখতে পান। 

জ.ই

সর্বশেষ

জনপ্রিয়