অর্থ পাচার: অপরিসীম ক্ষতি নিয়ে পরিমিত কথা | মতামত | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮
মতামত

অর্থ পাচার: অপরিসীম ক্ষতি নিয়ে পরিমিত কথা

মোতাহার হোসেন চৌধুরী

প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৫৫ আপডেট: ১৯ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৫৭

মোতাহার হোসেন চৌধুরী | প্রকাশিত: ১৯ এপ্রিল ২০২১ ১৯:৫৫


লেখক

বাংলাদেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে। পাচারকৃত অর্থে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এদেশের মানুষের বিপুল বিত্ত-বৈভব গড়ে উঠছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। অর্থ পাচার সম্পর্কে সূত্রগুলোর ইতিপুর্বে প্রদত্ত তথ্য যথেষ্ঠ উদ্বেগের।বিগত বছরের শেষের দিকে সরকারের আন্ত:মন্ত্রণালয় বৈঠকে অর্থবিভাগের সচিব বলেছিলেন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রীও তখন জানিয়েছিলেন তাঁর কাছে তথ্য রয়েছে, অর্থ পাচারকারীদের মধ্যে সরকারী কর্মচারীদের সংখ্যাই বেশি।

অর্থ পাচার নিয়ে উচ্চ আদালতও নির্দেশনা ও পর্যবেক্ষণ প্রদান করেছেন।অর্থ পাচার মামলার শুনানীকালে উচ্চ আদালতের মন্তব্য ছিল—‘যারা অর্থপাচার করেছে, তারা দেশ ও জাতির শত্রু‘।

যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘জিএফআই’ বা গ্লোবাল ফিনান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি এর দেয়া তথ্যমতে—অর্থপাচারে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাদের গবেষণা পত্রে উঠে এসেছে শুধু ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ৯৮ হাজার কোটি টাকা পাচার হয়েছে। ২০০৮ থেকে ২০১৫ এই সময়কালে পাচারকৃত অর্থ সাড়ে ৪ লাখ কোটি টাকা, যা গড়ে ৬৪ হাজার কোটি টাকা বছরে। জিএফআই এর এই হিসাব শুধুমাত্র কথিত আমদানী-রফতানির নামে কারসাজিমূলকভাবে অর্থপাচারের চিত্র। জাতিসংঘ থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জিএফআই গত এক দশক ধরে উন্নয়নশীল ১৩৫টি দেশের উপর এরুপ গবেষণা করে আসছে।তবে গত ২ বছরাধিককাল বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের তথ্য জাতিসংঘের কাছে না থাকার কারণে জিএফআই এই হিসাবটি হালনাগাদ করতে পারেনি।
জাতিসংঘের সংস্থা ‘আঙ্কটাড’ এর হিসাবে ২০১৫ সালেই বাংলাদেশের মোট ট্যাক্সের টাকার ৩৬ শতাংশের সমপরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে।

বাংলাদেশের পাচারকৃত বহু অর্থের হিসাব সুইস ব্যাংকের নথিতেও রয়েছে বলে সূত্রগুলো বলছে। আর পানামা পেপার্স অর্থ কেলেংকারির প্রকাশিত তালিকায় অনেক বাংলাদেশির নাম রয়েছে।

ব্যাংক ঋণের নামে দেশের মানুষের টাকা লুটপাট, দুর্নীতি, আইন-শৃংখলা বাহিনীর অভিযান, দুদকের তথ্য, কিছু মামলাসহ যেসব চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা যায় দেশ থেকে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে

কানাডার টরেন্টোর ইন্টারন্যাশনাল কনসোর্টিয়াম অব ইনভেস্টিগেটিভ জার্নালিজস্টস বা ‘সিআইজে’ নামের একটি সংগঠন জানিয়েছে,গত প্রায় ১ বছরে যে পরিমাণ টাকা বাংলাদেশ থেকে কানাডায় এসেছে, সে পরিমাণ টাকা গত কয়েক বছরেও আসেনি।বাংলাদেশিরা এই সময়ে দুই-আড়াই মিলিয়ন ডলার দিয়ে ওখানে রাতারাতি একেকটি প্রাসাদোপম বাড়ি ক্রয় করেছে ও এখনও করছে।সিআইজে-র কাছে অন্তত: ২০০ বাংলাদেশি অর্থ পাচারকারীর তালিকা আছে এমন দাবি করা হয়েছে।
‘কানাডিয়ান সিকিউরিটিজ ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস’ তাদের দেশের আইনশৃংখলা সংস্থার নিকট মূদ্রা পাচারের ১৫৮২টি ঘটনার তথ্য ইতোমধ্যে দাখিল করেছে। আরো জানা গেছে বিগত ২২ বছরের মধ্যে গত বছরের অক্টোবর মাসে কানাডায় বাড়ির মূল্য সবচেয়ে বেশি ছিল।
‘সিআইজে’র ভাষ্য অনুযায়ী কানাডার বাংলাদেশি কমিউনিটিতে গত ৯-১০ মাসাধিককাল ধরে বেশ চাঞ্চল্য ও আগ্রহ বিরাজ করছে —কে,কত মূল্যে,কোথায়,কোন বাড়ি,গাড়ি,সম্পদের মালিক হচ্ছেন ! দেশের টাকা অবৈধভাবে বিদেশে নেয়ার এরুপ ঘটনার বিরুদ্ধে কানাডার বাংলাদেশি কমিউনিটির সৎ মানুষেরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওখানে গত নভেম্বর মাসে মিছিল-সমাবেশও করেছেন।

শুধু কানাডা নয়, এদেশের অর্থ পাচারকারীদেরকে শনাক্ত করতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৮টি দেশে মিউচ্যুয়াল আ্যসিস্ট্যান্ট রিকোয়েষ্ট বা অনুরোধ পত্র পাঠানো হয়েছে। তন্মধ্যে কানাডা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, আরব আমিরাত,যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র,অস্ট্রেলিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত প্রভৃতি দেশ রয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়,বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট(বিএফআইইউ), দুদক, এনবিআরসহ সংশ্লিষ্টরা এসব নিয়ে বৈঠক ও নানাবিধ কাজ করে যাচ্ছেন।বিএফআইইউ গত পাঁচ বছরে ৩হাজার ২২৮ টি অর্থ পাচারের অভিযোগ আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নিকট পাঠিয়েছে।এরই মধ্যে ৫০ জন অর্থ পাচারকারী চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে ও ২৮ পাচারকারীর তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মানি লন্ডারিয়ের ৩৭ টি মামলাও চলমান আছে মর্মে জানা গেছে।

ব্যাংক ঋণের নামে দেশের মানুষের টাকা লুটপাট, দুর্নীতি, আইন-শৃংখলা বাহিনীর অভিযান, দুদকের তথ্য, কিছু মামলাসহ যেসব চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তাতে দেখা যায় দেশ থেকে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিদেশে পাচার হয়েছে। যেসবের অনেকগুলোই ‘জিএফআই’র দেয়া তথ্যের কথিত আমদানি-রফতানি বানিজ্যের কারসাজিমূলক অর্থ পাচারের হিসাবের বাইরে।

অর্থ পাচারের প্রকাশিত চাঞ্চল্যকর ঘটনাবলী:

বিগত দশকের শুরুতে খাতুনগঞ্জকেন্দ্রিক বহু ব্যবসায়ী কর্তৃক পণ্য আমদানীর নামে ব্যাংকগুলো থেকে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ঋণ নিয়ে ঘোষিত পণ্য না এনে সে টাকা বিদেশে পাচার করার অভিযোগ রয়েছে।
বিগত ১০-১২ বছরে শেয়ারবাজার থেকে অন্তত: দু’দফায় লুণ্ঠিত অর্থও বিদেশে পাচার হওয়ার অভিযোগ আছে।
‘যুবক’ নামে একটি কথিত সমবায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ২০০৬-২০০৭ সালে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছিল।
বিভিন্ন ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ‘বিসমিল্লাহ গ্রুপ’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা দুবাইতে পাচার করেছে এই খবরও প্রকাশ পেয়েছে।
ডেসটিনির ১০০ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করার সংবাদ প্রচারিত হয়েছিল।
হলমার্ক ৪ হাজার কোটি টাকা জালিয়াতি করে ব্যাংক ঋণ নিয়ে ঋণের একটি বড় অংশই বিদেশে পাচার করেছে বলে সংবাদ হয়েছে।
দুদক বলছে, ক্রিসেন্ট গ্রুপের ৫ হাজার কোটি টাকা ব্যাংক ঋণ জালিয়াতির ৯১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে।
মোর্শেদ খান ও তাঁর পরিবার ৩২১ কোটি টাকা হংকংয়ে পাচার করার তথ্যও গণমাধ্যমে এসেছে।
এননটেক্স গ্রুপ ব্যাংক ঋণ কেলেংকারির ৫ হাজার ৮ শত কোটি টাকার বড় অংশই বিদেশে পাচার করেছে মর্মে খবর প্রকাশিত হয়েছে।
প্রশান্ত কুমার হালদারের বিরুদ্ধে ৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা কানাডায় পাচারের অভিযোগ এনেছে দুদক।
ক্যাসিনোর সম্রাটের সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় ২১৯ কোটি ৪৮ লাখ ৫৮ হাজার ৫০০ টাকা পাচারের লেনদেনের তথ্য দুদক প্রকাশ করেছে।
দুদক জানিয়েছে ক্যাসিনো খালেদ ৮ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।
কাজী আনিসের মালয়েশিয়ায় বাড়ি,গাড়ি,বিনিয়োগের সন্ধান পাওয়া গেছে বলে গোয়েন্দা সূত্র প্রকাশ করেছে।
থাইল্যান্ডে সেলিম প্রধানের বাগানবাড়ি, সম্পদ ও ক্যাসিনোতে ১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা অনলাইন লেনদেনের হিসাবের খোঁজ পেয়েছে সিআইডি।
কুয়েতে এমপি পাপুল ও তাঁর স্ত্রীর বিপুল অর্থ পাচারের তথ্য এখন সকলেরই জানা বিষয়।
চট্রগ্রামের আলিম চৌধুরী ব্যাংকের টাকা পাচার করে মন্টেনিগ্রোতে পাঁচতারকা দুটি হোটেলে বিপুল বিনিয়োগ করেছেন মর্মে সংবাদপত্রে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে।
গোল্ডেন মনির হুন্ডি করে বিদেশে অনেক টাকা পাঠিয়েছেন সেটিও প্রকাশিত খবর।
রন হক-দীপু হক-সিকদার পরিবার যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ‘কয়ি গ্রুপ’ নামের কোম্পানীতে বিশাল বিনিয়োগে সারা দুনিয়ায় ব্যবসা-সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তাদের আমেরিকার লাসভেগাস, আমিরাতের দুবাই, ব্রিটেন, সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ডসহ বেশ কিছু দেশে বড় পুঁজির ব্যবসা রয়েছে।অভিযোগ আছে, সবই করা হয়েছে দেশ থেকে নেয়া পাচারকৃত অর্থে।বাংলাদেশ সরকারের প্রতিষ্ঠান ‘বিএফআইইউ’ এর অনুসন্ধানে এসবের বিশদ তথ্য পাওয়া গেছে। বিষয়টি এখন দুদক তদন্ত করছে।
ফরিদপুরের বরকত-রুবেল ভ্রাতৃদ্বয় ২ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছেন বলে আদালতেই স্বীকোরোক্তি দিয়েছেন।

অর্থখাত সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত ও দেশের মানুষেরও ধারণা প্রকাশিত এসব অর্থ পাচারের ঘটনাবলী বিশাল হিমপর্বতমালার চূড়ার আবছায়া দৃশ্যমাত্র।আরো বহুগুণ অর্থই দেশ থেকে পাচার হয়েছে এবং হচ্ছে। যা মানুষের জানাশোনা ও চিন্তার চেয়েও অনেক বেশী।এই বিপুল অর্থ পাচারের ফলে দেশ অপরিসীম ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।এসবের দরুণ দেশে কাঙ্খিত বিনিয়োগ, শিল্প উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।অবকাঠামো বিনির্মাণ, দারিদ্র হ্রাসকরণ ও দেশের সার্বিক সমৃদ্ধির আকাংখা অধরা থেকে যাচ্ছে। কারো কারো মতে পাচারের সব অর্থ ফিরিয়ে এনে দেশের মানুষের মধ্যে বন্টনের ব্যবস্থা করা গেলে দেশে আর কোনো দরিদ্র মানুষ থাকবে না !
এরুপ অর্থপাচার না হলে দেশের বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি সমৃদ্ধ হতো বলে মতামত দিয়েছিলেন অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর ও প্রয়াত খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ এর মতো বরেন্য মানুষেরা।

যেকোনো পথে অর্থবিত্ত করায়ত্বে আনা এদেশের একটি বিশেষ গোষ্ঠি অর্থ পাচারের মাধ্যমে বিদেশে সম্পদ ও আবাসস্থল গড়ে তোলাকেই হয়তো সমীচিন মনে করছেন ! সাধারণভাবে এযাবৎ সংঘটিত পাচারের ঘটনাবলী বিশ্লেষণ করলে মনেও হবে এরুপ সহজভাবেই করা যাচ্ছে।

এই পরিস্থিতির পরিবর্তন অত্যাবশ্যক। এর জন্য নীতি-কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রয়োজন এবং সেটি কষ্টসাধ্য হলেও সম্ভব মনে করেন অনেকেই।
এসব বিষয়ে ‘বিএফআইইউ’এর প্রধান আবু হেনা মো: রাজী হাসান জানিয়েছেন-‘অর্থপাচার ঠেকাতে ও উদ্ধারে কৌশলপত্র দেয়া হয়েছে। বাস্তবায়ন পর্যায়ে কি সমস্যা আসবে সেজন্য মতামতের অপেক্ষা করছি’।

অর্থ পাচার ঠেকানোর ও পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে কি নীতি-কৌশল প্রণীত হয়েছে ও হচ্ছে জানা যায়নি। তবে দেশের মানুষের প্রত্যাশা—এর জন্য নিশ্চিদ্র, যুক্তিযুক্ত, সৎ উদ্দেশ্যে প্রণীত আইন-কানুন, নীতি-কৌশল থাকবে। আইনের প্রয়োগ হবে পক্ষপাতহীন,সুশাসন ও সুবিচারের মানদন্ড সমুন্নত রেখে। প্রায়োগিক কাঠামোতে জবাবদিহিতা,নিষ্ঠা, সততা লাগবে প্রশ্নাতীত।
অর্থ উদ্ধারে ও ভবিষ্যতে পাচার রুখতে ভিন্ন দেশের সহিত পারস্পরিক কার্যকরী আইনি চুক্তি ও তথ্য বিনিময় চুক্তি থাকতে হবে স্বচ্ছভাবে।

মানুষ দেখতে চায়, যথার্থ আইন ও এর কার্যকরী প্রয়োগের মাধ্যমে অর্থ পাচার বন্ধের বিশ্বাসযোগ্য ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যাতে এদেশে বসবাসকারী মানুষগুলোর মধ্যে এই আস্থা জন্মায় যে-অর্থ পাচার রোধ করা সম্ভব ও পাচারকৃত অর্থ উদ্ধার করাও অসম্ভব নয়। মানুষ যেন ভাবে,দেশটা ভালো মানুষদের; আমাদের।এখানে বৈধভাবে টাকা উপার্জন করা যায়, ন্যায্য লাভের জন্য বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে। এদেশেও ন্যায়সঙ্গত, মানবিক মর্যাদার, নিরাপদ জীবনযাপন ও ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্বপ্ন পরিমিত মাত্রায় হলেও দেখা সম্ভব।

লেখক : কলামিস্ট ও বিশ্লেষক




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top