৭ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে চেলসি | খেলাধুলা | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | বুধবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮
খেলাধুলা

৭ বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে চেলসি

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২১ ১১:২৯ আপডেট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৪:৪৬

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক | প্রকাশিত: ১৮ মার্চ ২০২১ ১১:২৯


অ্যাতলেটিকো মাদ্রিদের চলমান মৌসুমের শুরুটা কি দুর্দান্তই না হয়েছিল! তবে সেই অ্যাতলেটিকোই এখন রীতিমতো ধুঁকছে। লিগের বাজে ফর্মটা কাটাতে ব্যর্থ হয়েছে চ্যাম্পিয়নস লিগেও।

বুধবার (১৭ মার্চ) রাতে স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে শেষ ষোলোর ফিরতি লেগের এই জয়ের ফলে দুই লেগ মিলিয়ে ৩-০ গোলের অগ্রগামিতায় পরের রাউন্ডে নিশ্চিত করেছে টমাস টুখেলের শিষ্যরা। এদিন হাকিম জিয়াশের গোলে চেলসি এগিয়ে যাওয়ার পর শেষ দিকে ব্যবধান বাড়ান এমেরসন।

এর আগে প্রথম লেগে অ্যাতলেটিকোর মাঠে অলিভিয়ে জিরুদের একমাত্র গোলে জিতেছিল ইংলিশ দলটি।

গত ২৭ জানুয়ারি টুখেল দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এখনও হারেনি চেলসি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এই নিয়ে ১৩ ম্যাচ অপরাজিত রইলো তারা, জয় ৯টি ও ড্র ৪টি। চেলসির ইতিহাসে নতুন কোচের হাত ধরে এটাই অপরাজেয় পথচলার রেকর্ড।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকে অধিকাংশ সময় বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের ওপর চাপ ধরে রাখলেও প্রথমার্ধে খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারেনি চেলসি। এ সময় তাদের রক্ষণে তেমন ভীতি ছড়াতে পারেনি লা লিগার পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা আতলেতিকোও।

চেলসি ২৬তম মিনিটে ডি-বক্সে ইয়ানিক কারাসকো ডিফেন্ডার সেসার আসপিলিকুয়েতার হালকা বাধায় পড়ে গেলে পেনাল্টির জোরালো আবেদন করে আতলেটিকো। তবে রেফারির সাড়া মেলেনি। এর আট মিনিট পর প্রতি-আক্রমণে এগিয়ে যায় চেলসি। স্বদেশি মিডফিল্ডার কাই হাভার্টজের বাড়ানো বল ধরে জার্মান ফরোয়ার্ড টিমো ভেরনার বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে ডি-বক্সে ডানে পাস দেন। আর নিখুঁত শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন মরক্কোর মিডফিল্ডার জিয়াশ।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়তে পারতো। তবে ভেরনারের দুরূহ কোণ থেকে নেওয়া শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান ইয়ান ওবলাক। খানিক পর জিয়াশের ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া জোরালো শটও কর্নারের বিনিময়ে ফেরান স্লোভেনিয়ার এই গোলরক্ষক।

শেষ দিকে কিছুটা চাপ বাড়ানোর চেষ্টা করে আতলেটিকো। তবে ৮১তম মিনিটে দলটি ১০ জনের দলে পরিণত হলে তাদের ঘুরে দাঁড়ানোর সব আশা বলতে গেলে শেষই হয়ে যায়। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার আন্টোনিও রুডিগারকে কনুই দিয়ে আঘাত করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখেন স্তেফান সাভিচ।

দুই বদলি খেলোয়াড়ের নৈপুণ্যে যোগ করা সময়ে ব্যবধান দ্বিগুণ হয়। ক্রিস্টিয়ান পুলিসিকের পাস ডি-বক্সে পেয়ে কোনাকুনি শটে জয় নিশ্চিত করেন আগ মুহূর্তেই হাভার্টজের বদলি নামা এমেরসন। মাঠে নেমে ৪০ গজ দৌড়ে এসে এটাই ছিল এই ইতালিয়ান ডিফেন্ডারের বলে প্রথম ছোঁয়া! সত্যিই অসাধারণ।

চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ আটের বাকি দলগুলো হলো-বায়ার্ন মিউনিখ, পিএসজি, রিয়াল মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার সিটি, লিভারপুল, পোর্তো ও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড। আগামী শুক্রবার হবে কোয়ার্টার-ফাইনাল ও সেমি-ফাইনালের ড্র।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top