ফ্লয়েড হত্যায় পুলিশ কর্মকর্তা দোষী সাব্যস্ত | সারাবিশ্ব | Aporup Bangla | বাংলার প্রতিধ্বনি
ঢাকা | মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৬ আশ্বিন ১৪২৮
সারাবিশ্ব

ফ্লয়েড হত্যায় পুলিশ কর্মকর্তা দোষী সাব্যস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২১ ০৪:৪৯ আপডেট: ২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০৭:৪৯

আন্তর্জাতিক ডেস্ক | প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২১ ০৪:৪৯


যুক্তরাষ্ট্রে কৃষ্ণাঙ্গ যুবক জর্জ ফ্লয়েডকে হত্যা মামলায় শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তা ডেরেক চৌভিন দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণ হয়েছে। তার ৪০ বছর কারাদণ্ড হতে পারে।

মিনেসোটা অঙ্গরাজ্যের মিনিয়াপোলিস শহরে ২০২০ সালের মে মাসে ডেরেক চৌভিনের হাতে জর্জ ফ্লয়েড মারা যান। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। একপর্যায়ে ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ শিরোনামে এ আন্দোলন যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা ছাড়িয়ে যায়।

মিনেসোটার হেনেপিন কাউন্টি আদালত তিনটি অভিযোগেই ডেরেক চৌভিনকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। এগুলো ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ অনিচ্ছাকৃত খুন, ‘থার্ড ডিগ্রি’ খুন এবং ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ নরহত্যা। আইন অনুযায়ী ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ অনিচ্ছাকৃত খুনের জন্য সর্বোচ্চ ৪০ বছর কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ‘থার্ড ডিগ্রি’ খুনের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হয় ২৫ বছরের। অন্যদিকে ‘সেকেন্ড ডিগ্রি’ নরহত্যার দায়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ২০ হাজার ডলার জরিমানা।

আদালত রায় ঘোষণার সময় জানিয়েছেন পরবর্তী আট সপ্তাহের মধ্যে চৌভিনের কারাদণ্ডাদেশ ঘোষণা করা হবে।

দোষী সাব্যস্ত করে রায় ঘোষণার সময় ডেরেক চৌভিনকে আদালতে হাজির করা হয়। তিনি তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আদালত রায় ঘোষণার পর তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

রায় ঘোষণার পরপর আদালতের বাইরে থাকা ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ আন্দোলনকারীরা উল্লাস প্রকাশ করেন। ন্যায়বিচার হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তারা।

বহুল আলোচিত এই মামলার রায়কে ঘিরে বেশ কয়েক দিন ধরেই আদালত এলাকাসহ মিনেসোটার নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। এই রায়কে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। মামলার রায়কে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহর-নগরে বিক্ষোভ-প্রতিবাদ হতে পারে। সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ারও আশঙ্কা করছেন কেউ কেউ।

যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় নাগরিক আন্দোলন শুরু হয় জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর। শ্বেতাঙ্গ পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ-নৃশংসতার অভিযোগ ওঠে। আন্দোলনের জেরে যুক্তরাষ্ট্রের বড় বড় নগরীতে পুলিশে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। পুলিশি ব্যবস্থার জন্য রাজস্ব ব্যয় কমিয়ে আনা হয়। আমেরিকার পুলিশ ইউনিয়নগুলোর মধ্যে এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ চলছে।




আপনার মূল্যবান মতামত দিন:


Top