ফাইল ছবি
দেশের পুষ্টি-পরিস্থিতি নির্ধারণে গড় হিসাবের ওপর নির্ভর করাকে ‘বিপজ্জনক প্রবণতা’ বলে উল্লেখ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। তিনি বলেন, কিছু মানুষের ভোগক্ষমতার গড় দেখালে প্রকৃত গরিব মানুষের খাদ্যাভ্যাস ও পুষ্টিহীনতা চোখে পড়ে না। এতে নীতিনির্ধারণে ভুল ধারণা তৈরি হয় এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মৌলিক পুষ্টিচাহিদা অজানা থেকে যায়।
শুক্রবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত চার দিনব্যাপী 'কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার' শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ফরিদা আখতার জানান, দেশীয় মাছ, মাংস ও প্রাণিসম্পদ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ, যা সংরক্ষণ করা এখন সময়ের দাবি। শিল্পায়ন প্রয়োজন হলেও দেশীয় জাতের বৈশিষ্ট্য হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। একই সঙ্গে অ্যাকোয়াকালচারে অনিয়ন্ত্রিত ফিড ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে ভবিষ্যতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের হুমকি তৈরি হতে পারে বলেও তিনি সতর্ক করেন।
তিনি বলেন, বছরে মাথাপিছু ১৩৭টি ডিম খাওয়ার হিসাব প্রকৃত খাদ্যগ্রহণের বৈষম্য আড়াল করে। উৎপাদনকারী এলাকার মানুষও কখনো কখনো দেশীয় মাছের বদলে পাঙাশ বা অন্যান্য চাষের মাছ খেতে বাধ্য হন—এ বিষয়েও তিনি উদ্বেগ জানান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আবদুর রউফসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞ ও গবেষকরা।
ম. র





