ফাইল ছবি
টানা দুই বছরের ঋণাত্মক ধারা থেকে বেরিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকেই বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারা বিক্রির পরিবর্তে ক্রয়ের পরিমাণ বাড়াচ্ছেন, যা বাজারে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে বিদেশিরা মোট ১৯৭ কোটি ৬২ লাখ টাকার শেয়ার কিনেছেন এবং ১৭৯ কোটি ৬১ লাখ টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। ফলে নিট বিনিয়োগ বেড়েছে ১৮ কোটি টাকা। ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৫ দিনে বিদেশিদের লেনদেন ৪৮ শতাংশ বেড়ে ১৭৩ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।
তবে সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিডিবিএল)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বিদেশি হিসাবধারীর সংখ্যা কমেছে। জানুয়ারিতে বিদেশি বেনিফিশিয়ারি ওনার্সের সংখ্যা ছিল ৪৩,৫৪৯, যা ফেব্রুয়ারির ১৫ তারিখে কমে ৪৩,১০১ হয়েছে। অর্থাৎ অংশগ্রহণ কমলেও বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে।
ডিএসই জানায়, ২০২৫ সালে বিদেশিরা মোট ২,০৯৫ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন, কিনেছেন ১,৮২৫ কোটি টাকার শেয়ার। ফলে নিট বিনিয়োগ ২৭০ কোটি টাকার ঋণাত্মক। তবে বছরের মধ্যে পাঁচ মাসে তাদের বিনিয়োগ ইতিবাচক ছিল, বিশেষ করে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত সক্রিয় ক্রয়ের ফলে ডিএসই সূচক উর্ধ্বমুখী হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বিদেশি বিনিয়োগের এই প্রবণতা অব্যাহত থাকলে শেয়ারবাজারে তারল্য বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় বিনিয়োগকারীর আস্থা ফিরে আসবে।
ম.র





