ফাইল ছবি
চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ সংক্রান্ত মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে গঠিত দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। প্যানেলের অপর সদস্য ছিলেন বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। শুনানিতে তিনি কামরুল ইসলাম ও রাশেদ খান মেননের বিরুদ্ধে তিনটি গুরুতর অভিযোগ তুলে ধরেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “শেখ হাসিনার সরকারকে টিকিয়ে রাখার উদ্দেশ্যে কামরুল ও মেনন বিভিন্ন উসকানি দিয়েছেন। তারা আওয়ামী লীগ সরকার ও ১৪ দলীয় জোটের শীর্ষ পদে থেকে নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার ওপর মারণাস্ত্র ব্যবহারের প্ররোচনা দিয়েছেন। তাদের ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রের ফলে রাজধানীর বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানো হয়েছে।”
শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ চেয়ে আবেদন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, মঈনুল করিম, আবদুস সাত্তার পালোয়ান সহ অন্যান্যরা।
আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী অব্যাহতি আবেদন শুনানোর সময় চান। পরে আদালত আগামী ১১ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেন।
এদিন সকালে কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে কামরুল ও মেননকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ২৩ জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেন ট্রাইব্যুনাল-১।
উল্লেখ্য, রাশেদ খান মেননকে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট, আর কামরুল ইসলামকে ২০২৪ সালের ১৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
ম.র





