ফাইল ছবি
দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও শ্রীলঙ্কা উপকূলবর্তী সমুদ্র এলাকায় সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘ডিটওয়াহ’ আরও উত্তর–উত্তরপশ্চিম দিকে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বিবেচনায় দেশের চার সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে গভীর সাগরে সকল মাছধরা নৌকা ও ট্রলার চলাচল সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
শুক্রবার প্রকাশিত বিশেষ আবহাওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে (নং–০৬) জানানো হয়, ঘূর্ণিঝড়টি শ্রীলঙ্কার উপকূলসংলগ্ন দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর–উত্তরপশ্চিম দিকে এগোচ্ছে।
দুপুর ১২টার অবস্থান অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড়টি ছিল—
? চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৯৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে
? কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে
? মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ১৮২০ কিলোমিটার দক্ষিণ–পশ্চিমে
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৫৪ কিলোমিটার ব্যাসার্ধে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার, যা দমকা হাওয়ায় ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী সাগর অত্যন্ত উত্তাল রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সতর্ক সংকেত বহাল রাখার পাশাপাশি জেলেদের নিরাপদ স্থানে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা জানান, ঘূর্ণিঝড়টি পরবর্তী ২৪–৪৮ ঘণ্টায় আরও সুসংগঠিত হয়ে শক্তি বাড়াতে পারে। তাই উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য আবহাওয়ার নতুন নির্দেশনা এবং পরবর্তী নির্দেশিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ম. র





