শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬ , ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

Aporup Bangla

রাজধানীতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি

জাতীয়

অপরুপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১০:৫১, ২৯ মে ২০২৬

সর্বশেষ

রাজধানীতে ঈদের দ্বিতীয় দিনেও চলছে পশু কোরবানি

ছবি : প্রতিনিধি

পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে পশু কোরবানি। শুক্রবার (২৯ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।রাজধানীর বাংলামোটর ও হাতিপুলের কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ফজরের নামাজের পর থেকেই এসব এলাকায় পশু জবাই শুরু হয়। মূলত পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে, কসাই সংকটসহ নানা কারণে তারা আজ কোরবানি দিচ্ছেন। এছাড়া যারা একের অধিক পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন তারাও আজ পশু জবাই করছেন। যদিও প্রথম দিনের অনুপাতে এ সংখ্যা অনেক কম।
ইসলাম ধর্মের বিধি অনুযায়ী, ঈদুল আজহার দিন ছাড়াও জিলহজ মাসের ১১ (ঈদের দ্বিতীয় দিন) ও ১২ তারিখ (ঈদের তৃতীয় দিন) পশু কোরবানি করা যায়।

রাজধানীর বাংলামোটরে বাসিন্দা লিয়াকত আলী জানান, ঈদের দিন কসাই পাওয়া যায়না। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে অতিরিক্ত মজুরি চেয়েছে। তাই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেওয়া বিষয়ে হাতিরপুলের মেজবা চৌধুরী জানান, প্রথম দিন কসাইয়ের চাহিদা যেমন বেশি থাকে, দামও চড়া। কিন্তু দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে পর্যাপ্ত কসাই পাওয়া যায়, খরচ কম পড়ে। এ কারণে আজ কোরবানি দিচ্ছে।

এদিকে ঈদের দিন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তবে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায়।

ঈদের দিন মধ্যরাতেও ঢাকার বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে বর্জ্যের স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বর্জ্য সরিয়ে ফেলতে দেখা গেছে ধীরগতি।

ঢাকা উত্তর সিটির বর্জ্য অপসারণের অগ্রগতি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, ১০ ঘণ্টায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএনসিসি।
পবিত্র ঈদুল আজহার দ্বিতীয় দিনেও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চলছে পশু কোরবানি। শুক্রবার (২৯ মে) সকালে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

রজধানীর বাংলামোটর ও হাতিপুলের কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, ফজরের নামাজের পর থেকেই এসব এলাকায় পশু জবাই শুরু হয়। মূলত পারিবারিক ঐতিহ্য ধরে রাখতে, কসাই সংকটসহ নানা কারণে তারা আজ কোরবানি দিচ্ছেন। এছাড়া যারা একের অধিক পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন তারাও আজ পশু জবাই করছেন। যদিও প্রথম দিনের অনুপাতে এ সংখ্যা অনেক কম।
ইসলাম ধর্মের বিধি অনুযায়ী, ঈদুল আজহার দিন ছাড়াও জিলহজ মাসের ১১ (ঈদের দ্বিতীয় দিন) ও ১২ তারিখ (ঈদের তৃতীয় দিন) পশু কোরবানি করা যায়।

রাজধানীর বাংলামোটরে বাসিন্দা লিয়াকত আলী জানান, ঈদের দিন কসাই পাওয়া যায়না। কয়েকজনের সঙ্গে কথা বললে অতিরিক্ত মজুরি চেয়েছে। তাই ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানির সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

ঈদের দ্বিতীয় দিন কোরবানি দেওয়া বিষয়ে হাতিরপুলের মেজবা চৌধুরী জানান, প্রথম দিন কসাইয়ের চাহিদা যেমন বেশি থাকে, দামও চড়া। কিন্তু দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে পর্যাপ্ত কসাই পাওয়া যায়, খরচ কম পড়ে। এ কারণে আজ কোরবানি দিচ্ছে।

এদিকে ঈদের দিন ১২ ঘণ্টার মধ্যে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণের ঘোষণা দিয়েছিল ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। তবে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তব প্রতিফলন দেখা যায়নি রাজধানীর অধিকাংশ এলাকায়।

ঈদের দিন মধ্যরাতেও ঢাকার বিভিন্ন প্রধান সড়ক ও অলিগলিতে বর্জ্যের স্তূপ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বর্জ্য সরিয়ে ফেলতে দেখা গেছে ধীরগতি।

ঢাকা উত্তর সিটির বর্জ্য অপসারণের অগ্রগতি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় সংবাদ সম্মেলনে ডিএনসিসি প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান জানান, ১০ ঘণ্টায় প্রায় সাড়ে ৭ হাজার টন বর্জ্য অপসারণ করেছে ডিএনসিসি।

ম.র

Bijoy

সর্বশেষ