ফাইল ছবি
আজ (বুধবার) খেত্তারামা স্টেডিয়ামে ফ্লাডলাইটের নিচে মুখোমুখি হচ্ছে শ্রীলঙ্কা ও নিউজিল্যান্ড। শ্রীলঙ্কার জন্য এটি ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই, কারণ গ্রুপের শেষ ম্যাচে জিম্বাবুয়ের পর ইংল্যান্ডের কাছে হার তাদের বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পথে ঠেলে দিয়েছে।
শ্রীলঙ্কার শুরুটা ছিল দুর্দান্ত – অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দাপট দেখানো এবং ওমানের বিরুদ্ধে সফল রান তাড়া। কিন্তু সুপার এইটের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ভয়াবহ ব্যাটিং বিপর্যয় পুরোনো ব্যাটিং ধসের স্মৃতি ফিরিয়ে দিয়েছে। কুশল ও কামিন্দু মেন্ডিসসহ অনেক ব্যাটার সিঙ্গেল নেওয়ার চেষ্টায় আউট হয়েছেন, যা ব্যাটিং কোচ বিক্রম রাঠোরের মতে ওই পিচে ভুল কৌশল ছিল।
অনেক লঙ্কান ব্যাটার টাইমিং এবং শট নির্বাচনে ভুল করেছেন। কামিল মিশারার মতো কিছুক্ষণ উইকেটে থিতু থাকা খেলেও শেষ পর্যন্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেননি। এই দুর্বলতা নিউজিল্যান্ড অবশ্যই কাজে লাগাবে।
নিউজিল্যান্ড এই টুর্নামেন্টের অন্যতম ফর্মে থাকা ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে মাঠে নামছে। যদিও তারা সব ম্যাচ খেলেছে ব্যাটিং-বান্ধব পিচে, শ্রীলঙ্কার স্পিন-সহায়ক পিচে তাদের সাবধানতার সঙ্গে ব্যাটিং করতে হবে।
পরিসংখ্যানেও নিউজিল্যান্ড এগিয়ে – শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তাদের জয়ের রেকর্ড ১৬-৯, শ্রীলঙ্কার মাটিতেও তারা ৫-৩ ব্যবধানে এগিয়ে। সাম্প্রতিক তিনটি বড় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার টানা হার লক্ষ্য করা গেছে।
তবে বড় টুর্নামেন্টে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব কম, বিশেষ করে যখন ম্যাচটি দুই দলের জন্যই জীবনের মতো গুরুত্বপূর্ণ। শ্রীলঙ্কার জন্য হার মানে বিদায়, আর নিউজিল্যান্ডের জন্য কিছুটা সংভাবনা এখনও আছে, যা তাদের অন্যান্য ম্যাচের ফলাফলের ওপর নির্ভর করবে।
ম.র





