ফাইল ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের মাঠে যখন ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের বিশ্বকাপ ফাইনাল নিশ্চিত করার আনন্দে ভাসছিলেন লামিন ইয়ামাল, ঠিক তখনই স্পেনে তার নিজ বাড়িতে ঘটে গেছে এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা। আজ ভোররাতে বার্সেলোনায় অবস্থিত তরুণ এই স্প্যানিশ তারকার বাসভবনে চুরির চেষ্টা চালায় একদল দুর্বৃত্ত।
তবে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দলের তৎপরতায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই রক্ষা পেয়েছে তার বাড়ি।
স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমের বরাতে জানা গেছে, বার্সেলোনার মেট্রোপলিটন এলাকার এস্প্লুগুয়েস দে ইয়োব্রেগাত নামক অভিজাত এলাকায় অবস্থিত ইয়ামালের বাসভবনে দুই মুখোশধারী ব্যক্তি ঢোকার চেষ্টা করে।
ঘটনাটি ইয়ামালের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মীদের নজরে আসতেই তারা দ্রুত জরুরি প্রটোকল সক্রিয় করেন এবং কাতালান পুলিশকে খবর দেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই অবশ্য সন্দেহভাজনরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
পুলিশ ইতিমধ্যেই এই চুরির চেষ্টার তদন্ত শুরু করেছে এবং অপরাধীদের শনাক্ত করতে বাড়ির ও আশেপাশের নিরাপত্তা ক্যামেরার (সিসিটিভি) ফুটেজ খতিয়ে দেখছে।
তদন্তকারীরা জানান, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে মুখ ঢাকা অবস্থায় দুই ব্যক্তিকে দেখা গেছে।
তাদের একজন কালো পোশাক এবং অন্যজন ধূসর রঙের পোশাক পরিহিত ছিল। একই রাতে ওই অভিজাত কনডোমিনিয়ামের আরও দুটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে যে ইয়ামালের বাড়িতে হানা দেওয়া দলটির সঙ্গেই ওই চুরির ঘটনাগুলোর কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না।
সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপে পেশাদার ফুটবলারদের বাড়ি টার্গেট করে চুরির ঘটনা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, সুসংগঠিত অপরাধী চক্রগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খেলোয়াড়দের গতিবিধি ও পোস্ট করা ছবি পর্যবেক্ষণ করে। এরপর সুযোগ বুঝে তাদের অনুপস্থিতিতে গহনা, মূল্যবান ঘড়ি ও বিলাসবহুল জিনিসপত্র চুরি করতে এসব হানা দেয়।
ঘটনার সময় লামিন ইয়ামাল স্প্যানিশ জাতীয় দলের সঙ্গে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলতে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। ফলে সৌভাগ্যবশত তিনি বা তার পরিবারের কেউ কোনো বিপদের সম্মুখীন হননি। এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিষয়ে ইয়ামাল কিংবা তার প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।
ম.র





