ছবি : সংগ্রহ
এশিয়ান গেমসে পুরুষ ক্রিকেটের ব্রোঞ্জ পদক নির্ধারণী ম্যাচে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার টপ অর্ডারকে দ্রুত চাপে ফেলে মাত্র ২১ রানেই ৪ উইকেট তুলে নিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু এরপরই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। মাঝের ওভারে বোলারদের নিয়ন্ত্রণহীন বোলিং ও ক্যাচ মিসের সুযোগে ঘুরে দাঁড়ায় শ্রীলঙ্কা।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান সংগ্রহ করেছে তারা।
নিশিনের কোরোগি স্পোর্টস পার্কে টস জিতে বাংলাদেশকে আগে ফিল্ডিংয়ে পাঠায় শ্রীলঙ্কা।
শুরু থেকেই বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে বিপাকে পড়ে লঙ্কানরা। দলীয় ২১ রানেই সাজঘরে ফেরেন চার ব্যাটার।
তাদের মধ্যে শীর্ষ চার ব্যাটারের সংগ্রহ ছিল যথাক্রমে ২, ৩, ৬ ও ১ রান।
এরপরও ম্যাচ পুরোপুরি বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণে থাকেনি। আশেন বান্দারা ২৪ বলে ১৮ রান করে ফিরলেও অধিনায়ক সাহান আরাচ্চিগে ও থারিন্দু রত্নায়েকে মিলে ইনিংস গোছানোর কাজ শুরু করেন। এই জুটিই ধীরে ধীরে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
বাংলাদেশের বোলিংয়ের দুর্বলতা সবচেয়ে স্পষ্ট হয় ১৪তম ওভারে। মোস্তাফিজুর রহমানের করা সেই ওভারে শ্রীলঙ্কা তুলে নেয় ২৫ রান। অতিরিক্ত রানসহ এক ওভারে তাকে করতে হয় ১১টি বল। এতে লঙ্কানদের রান তোলার গতি হঠাৎ বেড়ে যায়।
মোস্তাফিজ পরের স্পেলে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ালেও বাংলাদেশের ফিল্ডিংও স্বস্তি দিতে পারেনি। ১৮তম ওভারে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান থারিন্দু। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে শ্রীলঙ্কাকে বড় সংগ্রহের দিকে নিয়ে যান তিনি।
শেষ পর্যন্ত ১৯তম ওভারে জোড়া আঘাতে জুটি ভাঙেন মোস্তাফিজ। থারিন্দু ৩২ বলে ৬৫ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। তার ব্যাট থেকে আসে সাতটি চার ও পাঁচটি ছক্কা। একই ওভারে আরেকটি উইকেটও তুলে নেন মোস্তাফিজ।
শেষ ওভারে সাইফ হাসান জোড়া উইকেট তুলে নিয়ে শ্রীলঙ্কার রান আরও কিছুটা আটকে দেন। শেষ বলে শেখ মাহেদী ক্যাচ নিলেও বাউন্ডারি লাইনে পা লেগে যাওয়ায় উইকেটটি পাওয়া হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৬৫ রান করে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের হয়ে সাইফ হাসান, মোস্তাফিজ ও মাহেদী নেন দুটি করে উইকেট।
ম.র





