সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ , ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Aporup Bangla

গণভোটে হবে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন: বিশেষ কমিটি

আইন আদালত

অপরূপ বাংলা প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৮:৪৮, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সর্বশেষ

গণভোটে হবে সংবিধানের মৌলিক সংশোধন: বিশেষ কমিটি

ফাইল ছবি

সংবিধানের মৌলিক কোনো সংশোধন আনা হলে তা গণভোটের মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হবে বলে জানিয়েছে সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি। কমিটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমের সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতাদের এ কথা জানানো হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদের ক্যাবিনেট কক্ষে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সংবিধান সংশোধন বিষয়ে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের মতামত জানতে তৃতীয় দফায় বৈঠকে বসে বিশেষ কমিটি।
প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সম্পাদক এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন। এ সময় সংবিধান সংশোধন ইস্যুতে সরকারের বর্তমান অবস্থান ও বক্তব্যও জানতে চান উপস্থিত গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বরা।

বৈঠক শেষে বেরিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন দৈনিক দেশ রূপান্তরের সম্পাদক মুস্তাফিজ শফি। তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে কিছু মৌলিক পরিবর্তনে গণভোট করতে হয়।

সংবিধানে সেরকম কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনা হলে গণভোট হবে বলে আমাদের জানিয়েছে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি।
বৈঠকে আরও বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি। মুস্তাফিজ শফি বলেন, সংবিধানের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিশ্চিত করা, সরকারি নিয়োগে শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রাখা এবং বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনার বিষয়েও বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের লক্ষ্যে ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও সে সময় আলোচনা হয়েছিল। বাম ধারার চারটি দল সনদে সই করেনি। সব মিলিয়ে ২৬টি রাজনৈতিক দল ও জোট ওই সনদে সই করে। এর মধ্যে ৮টি দল এখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যভুক্ত।

জুলাই সনদের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে ৪৮টি সংবিধান-সম্পর্কিত। এগুলো বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ জারি করেছিল। সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে গণভোট হয়।

এতে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় ওই আদেশ অনুসারে ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যদের নিয়ে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠন এবং ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে সংবিধান সংস্কারকাজ শেষ করার কথা।

তবে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই সংস্কার পরিষদ গঠন করেনি। তাদের দলের সদস্যরা সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথও নেননি।

গত ১৩ জুলাই জাতীয় সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের ‘সংবিধান সংশোধন-সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি’ গঠন করা হয়। কমিটিতে বিরোধী দল থেকে পাঁচ প্রতিনিধি চাওয়া হলেও তারা নাম দেয়নি। ওই কমিটিও প্রত্যাখ্যান করে বিরোধী দল।

ম.র

সর্বশেষ