ফাইল ছবি
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষ হলেও এখনও পুরোপুরি চেনা রূপে ফেরেনি রাজধানী ঢাকা। অফিস-আদালত খুললেও নগরজীবনে নেই সেই চিরচেনা কর্মচাঞ্চল্য। স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ও সাপ্তাহিক বন্ধ মিলিয়ে অনেকেই এখনও কর্মস্থলে ফেরেননি, ফলে রাজধানীর সড়কগুলো তুলনামূলক ফাঁকাই রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) থেকে অফিস-আদালত, ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান খুললেও গ্রামের বাড়ি থেকে মানুষের ঢাকায় ফেরা ধীরগতির। ফলে মহাখালী, নতুনবাজার, রামপুরা ও বাড্ডার মতো ব্যস্ত এলাকায়ও যানবাহনের চাপ কম দেখা গেছে। নেই পরিচিত যানজটের দৃশ্য।
তবে ফাঁকা সড়কেও গণপরিবহনের ধীরগতিতে চলাচল নিয়ে অভিযোগ করছেন যাত্রীরা। অনেক বাস যাত্রী তোলার আশায় বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে চলায় যাত্রা দীর্ঘ হচ্ছে।
উত্তরা থেকে রামপুরাগামী এক শিক্ষার্থী সুমন জানান, স্বাভাবিক সময়ে যানজট থাকলেও যাত্রার সময় প্রায় একই রকম লেগেছে। তিনি বলেন, “রাস্তায় কোনো জ্যাম না থাকলেও বাসটি বারবার থামায় ৪০-৪৫ মিনিট সময় লেগেছে।”
জানা গেছে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ও সাপ্তাহিক বন্ধ একসঙ্গে পড়ায় অনেকেই আগেই গ্রামের বাড়িতে চলে গেছেন। ফলে ঢাকায় কর্মব্যস্ততা পুরোপুরি ফিরতে আরও কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। অনেকের ধারণা, ২৯ মার্চ থেকে রাজধানী আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে।
এদিকে, পাড়া-মহল্লাতেও স্বাভাবিক পরিবেশ এখনও ফিরেনি। অনেক হোটেল-রেস্তোরাঁ বন্ধ থাকায় খাবার নিয়ে ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী। কিছু জায়গায় বাড়তি দামে খাবার বিক্রির অভিযোগও উঠেছে।
কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার এক ভোক্তা জহিরুল ইসলাম জানান, স্বাভাবিক সময়ে ৫০-৬০ টাকার ডিম-খিচুড়ি এখন ৭০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। এছাড়া আশপাশের অনেক হোটেল বন্ধ থাকায় খাবারের জন্য দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, সায়েদাবাদ, গাবতলী ও মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে এখনও অনেক মানুষকে ঢাকা ছাড়তে দেখা গেছে। তাদের মতে, ঈদের আগে যাত্রার ঝামেলা এড়াতে ছুটি পেয়ে এখনই বাড়ি যাচ্ছেন তারা।
ম.র





