ফাইল ছবি
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম জ্বালানি সরবরাহে বিলম্বের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশন।হাইকমিশন বলেছে, বিষয়টি মূলত ফ্লাইটের রুট নির্ধারণ ও আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ও প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনার বিষয়। তাই এ নিয়ে কোনো ধরনের অতিরঞ্জিত ব্যাখ্যা না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
বাংলানিউজের পক্ষ থেকে পাকিস্তান হাইকমিশনের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়া থেকে পাঠানো ইউরেনিয়াম জ্বালানি নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশে পৌঁছায়নি। পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না পাওয়ায় জ্বালানি বহনকারী কার্গো বিমানের যাত্রা বাধাগ্রস্ত হওয়ার বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে পাকিস্তান হাইকমিশনের কাউন্সেলর (প্রেস) শাবিদ উল্লাহ ওয়াজির সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে বাংলানিউজকে বলেন, পাকিস্তান আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক নিয়ম ও প্রক্রিয়ার প্রতি অবিচল প্রতিশ্রুতিশীল।
তিনি বলেন, নির্ধারিত নিয়ম, বেসামরিক বিমান চলাচলসংক্রান্ত নীতিমালা ও প্রোটোকল অনুসরণ করে কূটনৈতিক ফ্লাইট এবং আকাশসীমা ব্যবহারের সব আবেদন নির্ধারিত ও স্বচ্ছ সময়সীমার মধ্যে প্রক্রিয়া করা হয়।
শাবিদ উল্লাহ ওয়াজির বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনগুলোর বিষয়টি মূলত ফ্লাইটের রুট নির্ধারণ এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিগত ও প্রক্রিয়াগত ব্যবস্থাপনার বিষয় বলে মনে হচ্ছে।
এ ধরনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষসহ অন্যান্য কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজন হতে পারে। এর ফলে কখনো কখনো ফ্লাইটের সূচিতেও পরিবর্তন আসতে পারে বলে জানান তিনি।
পাকিস্তান হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ-পাকিস্তান সম্পর্ককে তারা অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়। তাই বিষয়টিকে যথাযথ প্রযুক্তিগত প্রেক্ষাপটে দেখা উচিত।
একই সঙ্গে এমন কোনো বর্ণনা বা প্রচারণাকে অতিরিক্ত গুরুত্ব না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করতে পারে।
ম.র





